
ক্রীড়া প্রতিবেদক, ঢাকা | ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ঢাকা: দীর্ঘ দেড় দশক পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের আবহে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) শপথ গ্রহণ শেষে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তিনি সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মর্তুজার ক্রিকেটে ফেরার বিষয়টি নিয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেন।
রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে দীর্ঘ সময় ধরে মাঠের বাইরে থাকা সাকিব ও মাশরাফির নামে একাধিক মামলা রয়েছে। এ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, “সাকিব এবং মাশরাফির বিষয়টি মূলত একটি রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল। তারা বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটার, আমরা তাদের সাধুবাদ জানাই। তবে তাদের নামে যে মামলাগুলো রয়েছে, সেগুলো রাষ্ট্রীয়ভাবে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হওয়া দরকার। আমরা চাই তারা যেন দ্রুত বাংলাদেশে ফিরে আসতে পারেন।”
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের অক্টোবরের পর থেকে সাকিবকে আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দেখা যায়নি এবং মামলার কারণে তিনি বিপিএলের সবশেষ দুই আসরেও অংশ নিতে পারেননি। অন্যদিকে মাশরাফি বিন মর্তুজাও গত দেড় বছর ধরে রয়েছেন লোকচক্ষুর অন্তরালে।
হামজা চৌধুরী, ফাহামিদুল ইসলামদের মতো প্রবাসীদের আগমনে দেশের ফুটবলে যে জোয়ার এসেছে, সেটির প্রশংসা করেন নবনিযুক্ত প্রতিমন্ত্রী। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের পরিবেশ নিয়ে তিনি বলেন, “আমি ছোটবেলা থেকে খেলছি, এখনও দেখছি স্টেডিয়ামের আশপাশের পরিবেশ একই রয়ে গেছে। যেহেতু এটি এখন আমার মন্ত্রণালয়ের অধীনে, তাই আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত এই পরিবেশের উন্নয়নের ব্যবস্থা করব।”
দায়িত্ব নিয়েই আমিনুল হক বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সুজনকে ফোন করেন। মিরপুর বিসিবি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশের ক্ষেত্রে বিদ্যমান যে কোনো ধরনের বিধিনিষেধ বা নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
সাকিব-মাশরাফি ইস্যু: রাষ্ট্রীয় ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমাধান।
বিসিবি সংস্কার: গণমাধ্যমের অবাধ তথ্য সংগ্রহ নিশ্চিত করা।
স্টেডিয়াম উন্নয়ন: বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের পরিবেশ ও গ্যালারি আধুনিকায়ন।
ফুটবল: প্রবাসী ও স্থানীয় খেলোয়াড়দের সমন্বয়ে ফুটবলের জোয়ার ধরে রাখা।