১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৭শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

সিলেটের জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে দশ কোটি টাকার ঘুষের অভিযোগ,নির্বাচন ব্যবস্থা প্রশ্নবিদ্ধ!

admin
প্রকাশিত ০৭ জানুয়ারি, বুধবার, ২০২৬ ২২:৩৭:৪৬
সিলেটের জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে দশ কোটি টাকার ঘুষের অভিযোগ,নির্বাচন ব্যবস্থা প্রশ্নবিদ্ধ!

Manual6 Ad Code

বিশেষ রিপোর্ট: সিলেটের জেলা প্রশাসক এর বিরুদ্ধে বিএনপি নেতা এম এ মালেকের মনোনয়ন বৈধ করতে প্রায় দশ কোটি টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ ওঠেছে। অভিযোগটি প্রকাশ্যে আসার পর সিলেটসহ সারাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা,সমালোচনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো দাবি করছে, আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি নেতা এম এ মালেকের মনোনয়ন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিলে তা বৈধ করার উদ্দেশ্যেই এই বিপুল অঙ্কের অর্থ লেনদেন হয়েছে।

 

Manual1 Ad Code

 

Manual3 Ad Code

 

Manual7 Ad Code

 

Manual2 Ad Code

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ার পর জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায় এবং প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত সিলেট জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অপরদিকে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা এম এ মালেক অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। তবে অভিযোগের গুরুত্ব ও অর্থের অঙ্ক বিবেচনায় বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে এটি শুধু একটি প্রশাসনিক দুর্নীতির ঘটনা হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং পুরো নির্বাচন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও বিশ্বাসযোগ্যতার ওপর গুরুতর আঘাত হিসেবে বিবেচিত হবে। সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, এমন গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই। তদন্ত বিলম্বিত হলে জনমনে বিভ্রান্তি বাড়বে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আস্থা আরও দুর্বল হয়ে পড়বে। এদিকে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত তদন্ত শুরু ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সংগঠন। জানা গেছে, সিলেট-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী এম এ মালেকের মনোনয়ন ইতোমধ্যে স্থগিত রয়েছে। এলাকাবাসী ও সাধারণ জনগণের একটি বড় অংশ বিতর্কিত এই মনোনয়ন সম্পূর্ণ বাতিলের দাবি জানিয়েছে। তাদের মতে, প্রশ্নবিদ্ধ প্রার্থীর মাধ্যমে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, দেশের গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং নির্বাচন ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষায় এই অভিযোগের দ্রুত, নিরপেক্ষ ও দৃশ্যমান নিষ্পত্তি এখন সময়ের দাবি।