মহানগরীতে আইন শৃঙ্খলা অবনতি বাড়ছে খুন রাহাজানি ধর্ষণ ও অপহরণ সহ নানা ঘটনা। সিলেটে একের পর এক হানিট্রেপের পাল্লায় পড়ে নিজেদের সর্বস্ব হারাচ্ছেন বিভিন্ন শ্রীেণী-পেশার লোক?
প্রথমে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচয়, দেখা করার আমন্ত্রণ, এরপর অপহরণ, নির্যাতন ও মুক্তিপণ দাবি—সিলেটে আবারও ঘটলো একই ধরনের চাঞ্চল্যকর ঘটনা।
সোমবার (১ জুন) রাতে সিলেট নগরীর কুনিপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপহরণকারী চক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ। একই সময় অপহৃত যুবক জিল্লুর রহমান (২৭)-কে উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মীম আক্তার নাহিদা (২২) মিল্লাত (২০) শিল্পী বেগম ওরফে শিল্পী দেওয়ান (৪০) এমরান খান (২৪) স্বপন আহমেদ (২৩)
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মোবাইল ফোনে পরিচয়ের সূত্র ধরে জিল্লুর রহমানকে দেখা করার জন্য ডেকে নেয় মীম আক্তার নাহিদা। নির্ধারিত স্থানে পৌঁছানোর পর তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে একটি বাসায় আটকে রেখে মারধর করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৮ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং পরিবারের কাছে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
একপর্যায়ে ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে।
অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা মোবাইল ফোনে পরিচয়ের পর একান্তে দেখা করতে গেলে সতর্ক থাকুন। একটি ভুল সিদ্ধান্ত ভয়াবহ বিপদের কারণ হতে পারে।