২২শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৮ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৩রা শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

সিলেটে চোরাকারবারীরা ব্যর্থ এসআই আজিজের চোখ ফাঁকি দেওয়া অসম্ভব

admin
প্রকাশিত ১৭ জুন, সোমবার, ২০২৪ ০১:০০:২০
সিলেটে চোরাকারবারীরা ব্যর্থ এসআই আজিজের চোখ ফাঁকি দেওয়া অসম্ভব

Manual3 Ad Code

সিলেটে চোরাকারবারীরা ব্যর্থ এসআই আজিজের চোখ ফাঁকি দেওয়া অসম্ভব

Manual7 Ad Code

 

সিলেটে ট্রাকে থাকা পাথরের নিচে করে চিনি বহন করার সময় ২ শত বস্তা ভারতীয় চিনি উদ্ধার করেছে শাহপরাণ (রঃ) থানা পুলিশ।
শুক্রবার দুপুরে শাহপরাণ (রহঃ) থানার সুরমা গেইট বাইপাস এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। এসময় চিনি বহনের সাথে জড়িত ট্রাক ড্রাইভার ও সহযোগীকে আটক করে থানা পুলিশ।

জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শাহপরাণ (রঃ) মাজার তদন্ত কেন্দ্রর আইসি এসআই আব্দুল আজিজ সুরমা গেইট বাইপাসের সামনে একটি পাথরবর্তী ট্রাকে অভিযান চালান। অভিযানে পুলিশ পাথর বোঝাই ট্রাকের পাথর আনলোড করলে পাথরের নিছে রাখা ২ শত বস্তা ভারতীয় চিনি বেরিয়ে আসে। পরে পুলিশ ২ জনকে আটক করে।

Manual8 Ad Code

আটককৃতরা হলেন, রাজশাহী জেলার বেলপুকুরিয়া গ্রামের নুরুল হুদার ছেলে মো. সালাউদ্দিন (২৮) ও একই জেলার বহরমপুর গ্রামের মৃত আফাজ উদ্দিনের ছেলে মো. মহাশিন (২৪)।

Manual7 Ad Code

পুলিশ জানায়, হরিপুর থেকে উপরে পাথর দিয়ে ভিতরে ভারতীয় চিনি সিলেট শহরের দিকে আসছে এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে শাহপরাণ (রঃ) মাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আইসি এসআই আব্দুল আজিজের নেতৃত্বে সুরমা গেইট বাইপাস এলাকায় চেকপোষ্ট পরিচালনা করে। দুপুর ১২ টা ১৫ মিনিটের সময় একটি ট্রাককে পুলিশ থামানোর সিগন্যাল দিলে সিগন্যাল অমান্য করে দ্রুতবেগে পালানোর চেষ্টা করে। এসময় ট্রাকটির পিছু ধাওয়া করে ট্রাকসহ ২ জন ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে গাড়ি তল্লাশী করে পাথরের নিচে থাকা ২ শত বস্তা ভারতীয় চিনি উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য ১১ লক্ষ ৭৬ হাজার টাকা।

অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এসএমপি’র মিডিয়া অফিসার এডিসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

Manual2 Ad Code

শাহপরাণ (রঃ) মাজার পুলিশ তদন্ত এস আই আব্দুল আজিজ গত মার্চ মাসের ২৫ তারিখে যোগদান করেন। যোগদান করার পরপরই পাল্টে যায় এ রোডের চিত্র। আব্দুল আজিজ পরিচালনা করেন বেশ কয়েকটি সফল অভিযান। তিনি অল্প কয়েকদিনে প্রায় ৭/৮ টি বড় অভিযান সফল ভাবে সমাপ্তি করেন। এ অভিযানে প্রায় ২ কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় অবৈধ চিনি জব্দ করেন। এই সব অবৈধ পন্য আদালতের মাধ্যমে নিলামে বিক্রি করা হবে। নিলামে বিক্রিত টাকা সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়।

এখন চোরাকারবারিদের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছেন এসএমপি’র উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) ও এসআই আব্দুল আজিজ। চিনিসহ ভারতীয় সকল অবৈধ পন্য পরিবহনে ব্যর্থ চোরাকারবারীরা। এসআই আব্দুল আজিজের চোখ ফাঁকি দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তার নেতৃত্বে সফল অভিযানের কারণে চোরাকারবারিদের সকল পরিকল্পনা ব্যস্তে যাচ্ছে। যার জন্য চোরাকারবারিরা কিছুতেই সফল হতে পারছে না। এস আই আব্দুল আজিজের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান এই কৃতিত্ব আমার নয় এটি এসএমপি পুলিশের মান্যবর পুলিশ কমিশনার স্যার ও উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ ) স্যারের।