
সিলেট গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালের সেবার অগ্রযাত্রায় নির্ভরতার প্রতীক কাস্টমার কেয়ার এসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার রামপ্রসাদ সরকার লিমন
স্বাস্থ্যসেবা খাতের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের পেছনে যেমন দক্ষ চিকিৎসক ও আধুনিক প্রযুক্তির অবদান থাকে, তেমনি রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে নীরবে কাজ করেন কিছু নিবেদিতপ্রাণ মানুষ।সিলেটের স্বনামধন্য গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালের কাস্টমার কেয়ার বিভাগের এসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার রামপ্রসাদ সরকার লিমন তেমনই একজন, যিনি দীর্ঘদিন ধরে সততা,দায়িত্ববোধ ও পেশাদারিত্বের অনন্য সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠানের সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার সূচনালগ্ন থেকেই কর্মজীবনের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে তিনি ধীরে ধীরে রোগী, স্বজন এবং সহকর্মীদের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।
প্রতিদিন অসংখ্য রোগী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ, সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদান এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রমে সহায়তার মাধ্যমে তিনি হাসপাতালের সেবাব্যবস্থাকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করে তুলছেন।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কর্মক্ষেত্রে তার বিনয়ী আচরণ, ধৈর্যশীল মনোভাব এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি রোগীদের মাঝে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করে। জটিল পরিস্থিতিতেও শান্ত ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার কারণে অনেকেই তাকে হাসপাতালের অন্যতম নির্ভরযোগ্য প্রতিনিধি হিসেবে বিবেচনা করেন।হাসপাতালের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জানান, উনি কেবল একজন কমর্কর্তা নন; বরং প্রতিষ্ঠানের সেবামুখী দর্শন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তিনি একজন নিবেদিত সহযোদ্ধা। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তার নিষ্ঠা, সময়ানুবর্তিতা এবং পেশাগত দক্ষতা সহকর্মীদের কাছেও প্রশংসিত।
এদিকে হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা বহু রোগী ও স্বজনের ভাষ্যমতে, প্রয়োজনের মুহূর্তে আন্তরিক সহযোগিতা এবং সহজ-সরল উপস্থাপনার মাধ্যমে তিনি সেবাগ্রহীতাদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। তার সদাচরণ ও দায়িত্বশীলতা হাসপাতালের সামগ্রিক ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার মানবিক ও সেবাধর্মী চর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করতে যেসব মানুষ নেপথ্যে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন, রামপ্রসাদ সরকার লিমন তাদের অন্যতম। কর্মনিষ্ঠা, সততা এবং সেবার প্রতি অবিচল দায়বদ্ধতার মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে সিলেট গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালের একটি সুপরিচিত, আস্থাভাজন ও সম্মানিত মুখ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।এ বিষয়ে রামপ্রসাদ সরকার লিমন বলেন, “গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই আমি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। দীর্ঘ এই পথচলায় অসংখ্য রোগী ও তাদের স্বজনদের সেবা দিতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি।
আমার বিশ্বাস, একজন রোগী যখন হাসপাতালে আসেন, তখন চিকিৎসার পাশাপাশি আন্তরিক আচরণ ও সঠিক দিকনির্দেশনাও তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমি সবসময় চেষ্টা করি রোগী ও তাদের স্বজনদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা করতে এবং তাদের সমস্যার দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করতে।তিনি বলেন, ‘গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতাল আজ সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের কাছে একটি বিশ্বস্ত নাম হিসেবে পরিচিত। এই প্রতিষ্ঠানের সুনাম ধরে রাখতে আমরা সবাই আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
রোগীদের আস্থা ও ভালোবাসাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দিকনির্দেশনা, সহকর্মীদের সহযোগিতা এবং সেবাগ্রহীতাদের সন্তুষ্টিই আমাকে প্রতিনিয়ত দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত করে। ভবিষ্যতেও সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে হাসপাতালের সেবার মান আরও উন্নত করতে কাজ করে যেতে চাই।’তিনি আরও বলেন, “আমি দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে হেলথকেয়ার প্রফেশনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছি। এই দীর্ঘ সময়ে রোগীসেবা ও গ্রাহকসেবার বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। মানুষের আস্থা অর্জন এবং আন্তরিকতার সঙ্গে সেবা প্রদান করাই আমার পেশাগত জীবনের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা খাতে কাজ করে যেতে চাই।”