সিলেট-তামাবিল সড়কে চলাচলকারী যাত্রীবাহী বাস ও মিনিবাসের নতুন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। সিলেট নগরীর সোবহানীঘাট থেকে বৃহত্তর জৈন্তিয়ার বিভিন্ন গন্তব্যে দূরত্ব অনুযায়ী এ ভাড়া নির্ধারণ করেছে সিলেট তামাবিল মোটর মালিক গ্রুপ ও সিলেট তামাবিল মিনিবাস মালিক সমিতি।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির প্রতিনিধি ও ১৭ পরগনা সালিশ সমন্বয় কমিটির মুরব্বিদের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নতুন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়।
বৈঠকে পরিবহন মালিকদের পক্ষ থেকে ডিজেলসহ যানবাহনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি তুলে ধরে নতুন ভাড়া নির্ধারণের কথা জানানো হয়।
নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী, সোবহানীঘাট থেকে ইসলামপুর পর্যন্ত ১০ টাকা, শাহপরান ১৫ টাকা, দাশপাড়া ২০ টাকা, পরগনা ও পীরের বাজার ২৫ টাকা, বটেশ্বর ৩০ টাকা, শুক্রবারী বাজার ও চিকনাগুল ৩৫ টাকা এবং বিপিএল গেইট পর্যন্ত ভাড়া ৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া হরিপুর ৪৫ টাকা, বাঘের সড়ক ও দামড়ি ৬০ টাকা, দিঘীরপাড় ৬৫ টাকা, দরবস্ত ৭০ টাকা, সারীঘাট দক্ষিণ ৭৫ টাকা, সারীঘাট উত্তর ৮০ টাকা, জৈন্তাপুর ৮৫ টাকা, ৪ নম্বর বাংলাবাজার ৯৫ টাকা, আদগ্রাম ও শ্রীপুর ১০০ টাকা, আলু বাগান ১০৫ টাকা, নলজুরী ও তামাবিল ১১০ টাকা এবং জাফলং পর্যন্ত ১২০ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, সোবহানীঘাট থেকে ভাইটগ্রাম ৭৫ টাকা, চতুলবাজার ও বারহাল ৮৫ টাকা, ঈদগাহ ও লাফনাউট ৯০ টাকা, বড়চতুল ৯৫ টাকা, হকারাই ও সাতাইন ১০০ টাকা, হাতিরপাড়া ১০৫ টাকা, কানাইঘাট ও গোয়াইনঘাট ১১০ টাকা এবং রাধানগর পর্যন্ত ১২০ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সিলেট তামাবিল মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি মো. শফিকুর রহমান বলেন, ডিজেলসহ পরিবহনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশের মূল্যবৃদ্ধির কারণে নতুন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহত্তর জৈন্তিয়ার বিভিন্ন সড়কে চলাচলকারী যাত্রীদের নির্ধারিত ভাড়া মেনে নেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, যাত্রীদের সঙ্গে চালক ও হেলপারদের ভালো আচরণ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একইভাবে যাত্রীদের কাছ থেকেও সহযোগিতাপূর্ণ আচরণ প্রত্যাশা করেন তারা।