৫ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২০শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৬ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

সুন্দরবনে জালিবোট মালিকদের ধর্মঘট, পর্যটক যাতায়াত বিঘ্নিত

admin
প্রকাশিত ০৫ জানুয়ারি, সোমবার, ২০২৬ ২২:০৯:৩৫
সুন্দরবনে জালিবোট মালিকদের ধর্মঘট, পর্যটক যাতায়াত বিঘ্নিত

Manual6 Ad Code

খুলনা/মোংলা, সোমবার:
সুন্দরবনে পর্যটকবাহী নৌযান (জালিবোট) নিবন্ধনের আওতায় আনার বিরুদ্ধে মোংলা বন্দর যন্ত্রচালিত মাঝিমাল্লা সংঘ অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট ঘোষণা করেছে। আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল থেকে ধর্মঘট শুরু হয়েছে।

এর আগে রোববার নৌপরিবহন অধিদপ্তর ও কোস্ট গার্ডের যৌথ অভিযানে মোংলা ঘাট থেকে সুন্দরবনের করমজল ও অন্যান্য এলাকায় চলাচলকারী পর্যটকবাহী ট্রলার ও জালিবোটকে নিবন্ধনের আওতায় আনার কার্যক্রম শুরু করা হয়।

Manual1 Ad Code

দিনব্যাপী ট্রলার চলাচল বন্ধ থাকায় সুন্দরবনে ঘুরতে আসা পর্যটকরা বিপাকে পড়েন। যশোর থেকে ঘুরতে আসা আবু তালেব বলেন, “ধর্মঘটের খবর জানতাম না। অনেক কষ্ট করে এসেছি, কিন্তু সুন্দরবন যেতে পারিনি।”

সুন্দরবনের করমজল পর্যটনকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজাদ কবির জানান, সকাল থেকে তেমন কোনো নৌযান বা পর্যটক আসেনি।

Manual5 Ad Code

মোংলা বন্দর যন্ত্রচালিত মাঝিমাল্লা সংঘের সাধারণ সম্পাদক সোহাগ হাওলাদার বলেন, “মোংলায় প্রায় ৪০০ পর্যটকবাহী জালিবোট রয়েছে। আমাদের সকল নৌযান বৈধ কাগজপত্রসহ ট্রেড লাইসেন্সপ্রাপ্ত। কিন্তু নৌপরিবহন অধিদপ্তর হঠাৎ অভিযান চালিয়ে অন্তত ৩০টি জালিবোটের ওপরের অংশের অবকাঠামো কেটে নিয়ে গেছে। ফলে বোটের সৌন্দর্য ও পর্যটকদের যাতায়াতের সুবিধা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা তাই ধর্মঘটের ডাক দিয়েছি।”

তিনি আরও জানান, কোস্ট গার্ডের নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি জালিবোটে সর্বোচ্চ ১০ জন পর্যটক যাতায়াত করতে পারে। কিন্তু নতুন লাইসেন্স প্রক্রিয়া এবং বছরে ২৫ হাজার টাকা ফি নেওয়ার নির্দেশ তাঁদের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Manual6 Ad Code

নৌপরিবহন অধিদপ্তর, খুলনার পরিদর্শক মো. রাশেদুল আলম বলেন, “অভ্যন্তরীন নৌ চলাচল অধ্যাদেশ, ১৯৭৬ অনুযায়ী ১৬ হর্স পাওয়ার বা তার বেশি ইঞ্জিনযুক্ত সব নৌযানকে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের লাইসেন্সের আওতায় আনা বাধ্যতামূলক। এই নিয়ম বাস্তবায়নের জন্য কোস্ট গার্ড ও নৌপরিবহন অধিদপ্তর যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে।”

Manual1 Ad Code