
১১নং মধ্য জাফলংএ সংঘর্ষের মূল হুতা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ।
গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি :: গোয়াইনঘাট উপজেলা ১১নং মধ্য জাফলং ইউনিয়নের ভিত্রিখেল হাওড় ও বড়বন্দ হাওড়ের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ সৃষ্টিকারী মূল হুতা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ।
জানা যায়,দীর্ঘদিন থেকে আরিফ তার বসতবাড়ির পার্শের ফসলি জমি কেটে কয়েক লক্ষ টাকার বালু বিক্রি করে আসছিলো, তার দলীয় প্রভাব থাকার কারণে তাহার এমন অবৈধ কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে গ্রামের লোকজন কথা বলার সাহস করে না,বিএনপি নেতা স্টালিং সহ দলীয় বড় বড় নেতাদের সাথে আরিফের একাধিক ছবি রয়েছে তার ফেইসবুকে,দলীয় ক্ষমতা আর নেতাদের সাথে থাকা সে-সব ছবি দেখিয়ে ছাত্রদল নেতা আরিফ নিজ এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব করে আসছে বলে জানা গেছে।
বালু নিয়ে সংঘর্ষের মুল ঘটনা : হাজী নজরুল শিকদারের নিজস্ব জমিতে উত্তোলনকৃত বালুর স্তুপ থেকে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে বালু নিচ্ছিলো ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ, এতে এলাকাবাসী তাকে বাঁধা দিলে স্থানীয় ডাক্তার নুর মোহাম্মদ খানের ফার্মেসীতে গিয়ে তাঁকে অক্ষত ভাষায় গালমন্দ করে আরিফ, পরে সে তার লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে পুনরায় বালু নেওয়ার চেষ্টা করে,এলাকাবাসী বাঁধা দিলে তার লাঠিয়াল বাহিনীর লোকজন এলাকাবাসীকে মারপিট করে। এ ঘটনায় এলাকা পক্ষের অন্তত ১৫জন আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এই ঘটনার বিস্তারিত জানতে গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনির হোসেনের ব্যবহৃত অফিসিয়াল ফোন নাম্বারে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি, যার কারণে আইনি কোন ব্যবস্থা হচ্ছে কিনা এ বিষয়ে জানা সম্ভব হয়নি।