১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৭শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

৩৩ কোটি টাকার মানি লন্ডারিং: নাফিসা কামালসহ আট প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির বিরুদ্ধে সিআইডির মামলা

admin
প্রকাশিত ২৭ অক্টোবর, সোমবার, ২০২৫ ২২:১৬:১৮
৩৩ কোটি টাকার মানি লন্ডারিং: নাফিসা কামালসহ আট প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির বিরুদ্ধে সিআইডির মামলা

Manual8 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক:
মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানির সঙ্গে জড়িত সিন্ডিকেটের অন্যতম সদস্য নাফিসা কামালের প্রতিষ্ঠান অরবিটালস ইন্টারন্যাশনালসহ আট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

প্রতারণার মাধ্যমে প্রায় ৩৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকার বেশি আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে গতকাল রোববার রাতে রাজধানীর গুলশান থানায় মামলাটি করা হয়। আজ সোমবার সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

Manual6 Ad Code

সিআইডির প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, নাফিসা কামাল ও তাঁর প্রতিষ্ঠান অরবিটালস ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে একই সিন্ডিকেটে যুক্ত রয়েছেন—

Manual6 Ad Code

  • হাফিযুল বারী মোহাম্মদ লুৎফর রহমান (ইরভিং এন্টারপ্রাইজ),

  • রফিকুল ইসলাম পাটোয়ারী (আমান এন্টারপ্রাইজ),

    Manual3 Ad Code

  • জসিম উদ্দিন আহমেদ (আহাদ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড),

  • মো. আকতার হোসাইন (আক্তার রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি),

  • শিউলী বেগম (মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ হোল্ডিংস প্রা. লিমিটেড),

    Manual4 Ad Code

  • কাউসার মৃধা (মৃধা ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন) এবং

  • মোহাম্মদ বশির (রাব্বি ইন্টারন্যাশনাল)।

তদন্তে আরও জানা যায়, এই সিন্ডিকেট ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে প্রায় ৩ হাজার ১১১ জন কর্মীকে মালয়েশিয়ায় পাঠায়। সরকার নির্ধারিত জনপ্রতি ফি ছিল ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকা, কিন্তু তারা অবৈধভাবে জনপ্রতি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা করে আদায় করে। এছাড়া পাসপোর্ট, মেডিকেল, কোভিড টেস্ট ও পোশাক বাবদ অতিরিক্ত ৩৬ হাজার ৫০০ টাকা নেয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, সরকার নির্ধারিত ফির বাইরে জনপ্রতি গড়ে ১ লাখ ৭ হাজার ৫১০ টাকা করে মোট ৩৩ কোটি ৪৪ লাখ ৬৩ হাজার ৬১০ টাকা হাতিয়ে নেয় সিন্ডিকেটটি।

অর্থ পাচারের প্রাথমিক প্রমাণ মেলায় সিআইডি মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করে। বর্তমানে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট মামলাটির তদন্ত করছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, অভিযুক্তদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের খোঁজ নেওয়া হচ্ছে এবং তাদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।