
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা ও যৌন হয়রানির ঘটনায় জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কলের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৩ সালে এ ধরনের ঘটনায় ২৬ হাজার ৭৯৮ জন কলারকে সেবা দেওয়া হলেও ২০২৫ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ হাজার ৩৮৬ জনে।
আজ রবিবার (৮ মার্চ) আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬ উদ্যাপনের প্রাক্কালে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর প্রধান ডিআইজি মহিউল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
ডিআইজি মহিউল ইসলাম জানান, ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নীতিমালা, ২০২০’ অনুযায়ী নারী ও শিশুর বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের সহিংসতা, হয়রানি, সম্মানহানি ও ইভটিজিং সংক্রান্ত কলগুলোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। ৯৯৯ তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে ভুক্তভোগীকে দ্রুততম সময়ে সেবা নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
বিগত তিন বছরের পরিসংখ্যান: ৯৯৯-এর তথ্যমতে, গত তিন বছরে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় জরুরি সেবা দেওয়ার চিত্র নিম্নরূপ:
২০২৩ সাল: ২৬,৭৯৮ জন কলার।
২০২৪ সাল: ২৩,০৩৩ জন কলার।
২০২৫ সাল: ৩২,৩৮৬ জন কলার।
ডিআইজি মহিউল ইসলাম আরও উল্লেখ করেন, ৯৯৯-এর ওপর জনগণের আস্থা ও ভরসা বাড়ার কারণেই কলের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে পারিবারিক নির্যাতন বা যৌন হয়রানির শিকার ভুক্তভোগীরা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সাহসী হয়ে অভিযোগ করছেন। অপরাধ দমনে এবং ভুক্তভোগীদের সুরক্ষায় ৯৯৯-এর এই তৎপরতা ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে।
আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ৯৯৯-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, নারী ও শিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতার কলসমূহ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।