
বিজিবি ও ডিবি পুলিশের লাইনম্যান চাঁদাবাজ একাধিক মামলার আসামি কে এই ডালিম বাহিনী
নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং গুচ্ছগ্রাম ১২৭৪ ও ১২৭৫ সীমান্ত পিলার এলাকা এখন ভারতীয় মাদক দ্রব্য সহ বিভিন্ন অবৈধ পণ্য সামগ্রী চোরাচালানের চারণভূমি হিসেবে পরিনত হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে সংবাদ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায়, সিলেট জেলা যুবদলের প্রভাবশালী দল থেকে বহিষ্কৃত নেতা কাশেম বাহিনীর প্রভাব দেখিয়ে জাফলং গুচ্ছগ্রাম ১২৭৪ ও ১২৭৫ পিলার এলাকায় বিজিবি ও ডিবি পুলিশের লাইনম্যান হিসেবে জনৈক চাঁদাবাজ একাধিক মামলার পোলাতক আসামি 'ডালিম ও তার সিন্ডিকেট' দীর্ঘ দিন যাবত ভারতীয় অবৈধ চোরাচালানের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন। খোজ নিয়ে জানা জানা যায়, সিলেটের অন্যতম নৈসর্গিক পর্যটন এলাকা জাফলং গুচ্ছগ্রাম ১২৭৪ ও ১২৭৫ সীমান্ত পিলার এলাকা চোরাচালানী সিন্ডিকেট চক্র ভারতীয় অবৈধ মাদক দ্রব্য ও বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী সংরক্ষণের হেডকোয়ার্টার হিসেবে পরিচালনা করছে তারা। ভারত থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য সহ বিভিন্ন পণ্য সামগ্রি প্রথমে জাফলংয়ের এই গুচ্ছগ্রাম ও লাল মাটি এলাকায় এনে গোদামজাত বা সংরক্ষণ করে রাখা হয়। তারপর বিজিবি ও পুলিশের সেল্টারে জাফলংয় টু সিলেট হয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে লাইমম্যান ডালিম বাহিনীর সহযোগিতায় নিরাপদ ভাবে চলে যাচ্ছে। জাফলংয়ের এই গুচ্ছগ্রাম ও লাল মাটি এলাকা এক সময় খুব শান্তিপ্রিয় ছিলো। দীর্ঘ দিন যাবত এখানে অবৈধ ভারতীয় চোরাচালানী মালামালের চারণভূমি হিসেবে পরিনত হওয়ায় এখানকার নাগরিকদের শান্তি, ঘুম, চলাফেরা প্রায় দূর্বিসহ হয়ে পড়েছে।এখানকার বেশ কয়েকজন নাগরিকদের সাথে এ ব্যপারে জানতে চাইলে তারা বলেন, জাফলংয়ের গুচ্ছগ্রাম ও লাল মাটি এলাকার মানুষ একসময় খুব শান্তিতে জীবন, চলাফেরা পার করছিলেন। বর্তমানে চোরাচালানী চক্রের লাইনম্যান ডালিম বাহিনীর কারণে আমাদের জীবন প্রায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। এই ডালিম বাহিনীর কারণে এখানকার সাধারণ যুব সম্প্রদায় চোরাচালানী সহ নানান অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে।
এ ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জোড়ালো পদক্ষেপ কামনা করছি।