ষাটের দশকের ছাত্র রাজনীতির অহংকার, ‘৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের মহানায়ক, স্বাধীন বাংলাদেশ নির্মাণের অন্যতম রূপকার ও সাবেক মন্ত্রী, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ‘দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরাম’-এর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
এক যৌথ বিবৃতিতে ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইকবাল হোসেন চৌধুরী, স্থায়ী কমিটির সদস্য নেসারুল হক চৌধুরী (বুস্তান স্যার), সিনিয়র সহ-সভাপতি ডা. অরুণ কুমার দেব এবং সাধারণ সম্পাদক জননেতা মকসুদ হোসেন এই শোক প্রকাশ করেন।
যৌথ শোক বার্তায় নেতৃবৃন্দ বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে তোফায়েল আহমেদ ছিলেন এক কিংবদন্তি। জাতীয় রাজনীতিতে তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠা, সততা ও এক বর্ণাঢ্য ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন। তাঁর অবদান দেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।” নেতৃবৃন্দ মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও পরিবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
বিবৃতিতে ফোরামের নেতৃবৃন্দ এই মহান নেতার জানাজায় উগ্র বিশৃঙ্খলা, পুলিশী হামলা এবং নেতাকর্মীদের আটকে রাখার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা এই ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয় বলে অভিহিত করেন।
নেতৃবৃন্দ আরও উল্লেখ করেন, বিগত পতিত সরকারের আমলেও তৎকালীন বড় বড় বিরোধীদলীয় শীর্ষ নেতাদের জানাজায় এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেনি। এমনকি সেই সময়ে জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক গোলাম আযম, মাওলানা আব্দুস সোবহান (সাবেক এমপি) সহ বিরোধী দলের অনেক শীর্ষ নেতার জানাজা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছিল। অথচ বর্তমান প্রেক্ষাপটে একজন জাতীয় নেতার বিদায়লগ্নে এমন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।-বিজ্ঞপ্তি