চুনারুঘাটে সাংবাদিকের ব্যক্তিগত ভিডিও ধারণের অভিযোগ: ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদা দাবির অভিযোগে তোলপাড়
চুনারুঘাটে সাংবাদিকের ব্যক্তিগত ভিডিও ধারণের অভিযোগ: ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদা দাবির অভিযোগে তোলপাড়
admin
প্রকাশিত ০২ আগস্ট, রবিবার, ২০২৬ ২১:৪৮:০৩
চুনারুঘাটে সাংবাদিকের ব্যক্তিগত ভিডিও ধারণের অভিযোগ: ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদা দাবির অভিযোগে তোলপাড়
স্টাফ রিপোর্টার: হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় এক সাংবাদিক ও তার স্ত্রীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও গোপনে ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক ফারুক মিয়া হবিগঞ্জ পুলিশ সুপারের (এসপি) কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিক মহল ও সচেতন মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৫ জুলাই সাংবাদিক ফারুক মিয়া ও তার স্ত্রীর একান্ত ব্যক্তিগত মুহূর্ত গোপনে ভিডিও ধারণ করা হয়। পরে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযো গমাধ্যমে ভাইরাল করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করা হয়।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, চুনারুঘাটের একটি ফেসবুক ভিত্তিক আইপি টিভির প্রতিনিধি মাসুদ আলম ভুক্তভোগীর কাছে ৫০ হাজার টাকা এবং অপর অভিযুক্ত জসিম মিয়া ১ লাখ টাকা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ফারুক মিয়াকে চুনারুঘাট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে থানায় আটকে রেখে মানসিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগও করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক ফারুক মিয়ার দাবি, ভিডিওতে থাকা নারী তার আইনগতভাবে বিবাহিত স্ত্রী এবং এ বিষয়ে তাদের বৈধ কাবিননামা ও হলফনামা রয়েছে। তার ভাষ্য, সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা এবং অবৈধভাবে অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যেই এ ধরনের ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।
এ ঘটনার পর থেকে তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে অভিযুক্তদের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনাটিকে একজন পেশাদার সাংবাদিকের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার চরম লঙ্ঘন ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ হিসেবে উল্লেখ করে স্থানীয় সাংবাদিকরা দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। সংবাদটি ভূক্তভোগী সাংবাদিক ফারুক আহমদ এর ফেসবুক আইডি থেকে সংগ্রীহিত।