সিলেট মহানগরীতে একদিনে পৃথক পৃথক দুই যুবকের লাশ উদ্ধার
সিলেট মহানগরীতে একদিনে পৃথক ঘটনায় দুই যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে জালালাবাদ থানাধীন কান্দিগাঁও এলাকায় নিজ ঘর থেকে আল-আমিন (৩০) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণ সুরমার কদমতলী বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে লায়েস মিয়া (৩৫) নামে এক যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ২টার দিকে জালালাবাদ থানাধীন কান্দিগাঁও ইউনিয়নের নলকট এলাকার নিজ ঘর থেকে আল-আমিনের লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই এলাকার আলী আসকরের ছেলে।
পুলিশ জানায়, ঘরের ফ্যানের সঙ্গে আল-আমিনকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে লাশ উদ্ধার করে। এ সময় তার বুকের ওপর ব্লেডের কাটার মতো কয়েকটি দাগ দেখতে পায় পুলিশ।
পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়।
জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামছুল হাবিব জানান, প্রেম করে আল-আমিন বিয়ে করেছিলেন। প্রায় এক মাস আগে সন্তানসহ তার স্ত্রী ঢাকায় চলে যান। এরপর শনিবার তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
অন্যদিকে, শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে দক্ষিণ সুরমার কদমতলী বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে লায়েস মিয়া (৩৫) নামে এক যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) কে বা কারা লায়েসকে কদমতলী বাস টার্মিনাল এলাকায় ফেলে যায়। পরদিন স্থানীয়রা সেখানে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়।
দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুজ্জামান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে লায়েস মিয়াকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় একজন ভ্যানচালককে আটক করা হয়েছে।
দুই ঘটনায়ই লাশের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।