সিলেটের স্থানীয় ব্র্যান্ড ‘দুধওয়ালা’র মিষ্টি নিয়ে এক ভোক্তা অভিযোগ করেছেন। তার দাবি, প্রতিষ্ঠানটির ‘স্পেশাল মিষ্টি’ একাধিকবার কেনার পর নষ্ট ও টক স্বাদের পাওয়া গেছে। তবে একই সময়ে কেনা সাধারণ মিষ্টি ঠিক ছিল বলেও জানিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ওই ভোক্তা জানান, প্রায় এক মাস আগে হবিগঞ্জ যাওয়ার সময় তার বোন সিলেটের হুমায়ুন রশীদ চত্বর এলাকার দুধওয়ালার কিচেন থেকে ‘স্পেশাল মিষ্টি’ কিনেছিলেন। হবিগঞ্জে গিয়ে মিষ্টিগুলো খাওয়ার সময় সেগুলো নষ্ট হয়ে গেছে বলে তাদের কাছে মনে হয়। তখন তারা বিষয়টি সিলেট থেকে হবিগঞ্জের দূরত্ব ও গরমের কারণে হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করেন।
এর কিছুদিন পর একই স্থান থেকে এক আত্মীয়ের জন্য ৪ কেজি ‘স্পেশাল মিষ্টি’ এবং ১ কেজি সাধারণ মিষ্টি কেনা হয়। অভিযোগকারী জানান, এবারও ‘স্পেশাল মিষ্টি’ নষ্ট পাওয়া যায়। তবে একই সঙ্গে কেনা সাধারণ মিষ্টিগুলো ঠিক ছিল।
বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য পরে আম্বরখানা জালালাবাদ শাখা থেকে আরও ১ কেজি মিষ্টি কেনেন ওই ভোক্তা। তার দাবি, শোরুমের ইনটেক ট্রে থেকে দেওয়া ওই মিষ্টি বাসায় নিয়ে খাওয়ার সময় টক স্বাদ পাওয়া যায়।
অভিযোগকারী জানান, রাতে বিষয়টি জানতে পারায় তখন শোরুম বন্ধ ছিল। ফলে তাৎক্ষণিকভাবে মিষ্টি নিয়ে শোরুমে গিয়ে অভিযোগ জানানো সম্ভব হয়নি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে তিনি বলেন, একই ধরনের অভিজ্ঞতা একবার হলে সেটিকে দুর্ঘটনা বা সংরক্ষণজনিত সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করা যেত। কিন্তু একাধিকবার এমন হওয়ায় মিষ্টির মান ও মাননিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে নয়, বরং স্থানীয় একটি ব্র্যান্ড হিসেবে দুধওয়ালার কাছ থেকে আরও ভালো মান ও মাননিয়ন্ত্রণ প্রত্যাশা থেকেই বিষয়টি তুলে ধরেছেন।
একইসঙ্গে তিনি অন্য ভোক্তাদের কাছেও জানতে চেয়েছেন, দুধওয়ালার মিষ্টি, বিশেষ করে ‘স্পেশাল মিষ্টি’ নিয়ে কারও এমন অভিজ্ঞতা হয়েছে কি না।
অভিযোগকারী আশা প্রকাশ করেন, দুধওয়ালা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।