সংখ্যালঘু পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, মানবাধিকার সংস্থার উদ্যেগ প্রকাশ
সংখ্যালঘু পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, মানবাধিকার সংস্থার উদ্যেগ প্রকাশ
admin
প্রকাশিত ১৮ জুলাই, শনিবার, ২০২৬ ১৮:০৩:৪১
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার সাঁটিয়াজুরি গ্রামে একাধিক জাল দলিল তৈরি করে সংখ্যালঘু রবীন্দ্র সরকার পরিবারের পৈতৃক ভূমি দখলের চেষ্টা, প্রশাসন নীরব ভূমিকায়?
স্টাফ রিপোর্টার :: হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার সাঁটিয়াজুরি গ্রামে সংখ্যালঘু রবীন্দ্র সরকার ও তার পরিবারের পৈতৃক ভূমি একাধিক জাল দলিল তৈরি করে ভুয়া মালিক সেঁজে আদালতে মিথ্যা মামলা দিয়ে বার বার বাঁশের সীমানা প্রাচীর নির্মানে ব্যর্থ হয়ে ১৭ জুলাই শুক্রবার সকাল ৮ টায় কয়েক শত ভাড়াটিয়া লোক এনে পুনরায় টিনের ঘর নির্মান করতে চাইলে, প্রথমে বাঁধা দেওয়া হয়। বাঁধা অমান্য করলে চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ শফিকুর রহমান কে তাহার সরকারী মোবাইল ফোনে ঘটনাটি অবগত করা হয়। তিনি বিষয়টি দেখছেন বলে জানান। তবে ভুমিখেকো আমির আলী গং বাহিনী ঘর তৈরি করার কাজ শুরু করলে পুনরায় তাহাকে আবারো মোবাইল ফোনে জানানো হয়। তিনি এ বিষয়টিকে কোন গুরুত্বই দেননি। পরে দখল ও নির্মার্ণের ঘটনায় এসপি হবিগঞ্জ কে জানানোর চেষ্টা করা হলে, তাহার সরকারী মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।পরে ঘটনা টি সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি ‘কে জানানো হলে তিনি দখল ও হামলার ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে দেখেন। সাথে সাথে চুনারুঘাট থানার ওসিকে ফোন করে সরজমিন ঘটনাস্হলে পাঠান। পরে ওসির নেতৃত্বে পুলিশ দখলকারী ও হামলাকারীদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে নির্মান কাজে বাঁধা দেন। উভয় পক্ষ কে আগামী মঙ্গলবার জমির সকল কাগজপত্র নিয়ে থানায় যাওয়ার জন্য বলেন। এ খবর চারিদিকে ছড়িয়ে যাওয়ার পর মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস কংগ্রেস ফর বাংলাদেশ মাইনোরিটিস (HRCBM) সিলেট বিভাগীয় চ্যাপ্টারের কো – অডিনেটর রাকেশ রায় সাঁটিয়াজুরিতে সংখ্যালঘু রবীন্দ্র সরকারের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা ও হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন সাঁটিয়াজুরি গ্রামে দখল চেষ্টা ও হামলার সময় চুনারুঘাট থানার ওসি বা তিনির অধীনস্থ পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাটি জানার পরও প্রথমে কেন সরজমিন যায়নি।
পরবর্তীতে ডিআইজি সিলেট রেঞ্জ মহোদয়কে ঘটনাটি জানানোর পর পুলিশ নিয়ে ওসি গেলেন ঘটনাস্হলে। এ রহস্যজনক ভুমিকা কেন ওসি সাহেবের। এখন পর্যন্ত কেন ফৌজদারি মামলা নিলেন না, বা জড়িত ভুমি খেকোদের আটক করলেন না? বিষয়টি রাষ্ট্রযন্ত্রকে খতিয়ে দেখার দাবি জানানো হয়েছে। ওসির নিরবতা, বাঁশখালী বা নিদারাবাদের মতো বড় ধরনে কোন ঘটনা ঘটতে পারে, তাই সকল রাজনৈতিক সামাজিক মানবাধিকার ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতারা এগিয়ে আসতে হবে রবীন্দ্র সরকারের পরিবারটি কে বাঁচাতে।
ঘটনাস্হলে পুলিশ উপস্হিত হয়ে পরিস্হিতি নিয়ন্ত্রণে আনে, এর পর থেকে পরিবারটিকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি-ধামকি দিচ্ছে আমীর বাহিনী গং। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ভিকটিম রাবিন্দ্র সরকার ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে অজানা ভয়-আতঙ্কে থাকায় চুনারুঘাট থানায় কোন লিখিত অভিযোগ দেননি।