আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) বিকেলে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব মহাপরিচালক (ডিজি) এ কে এম শহিদুর রহমান সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যারা ভোট বিঘ্নিত করতে চাইবে তারাই প্রকৃত ঝুঁকিতে থাকবে।
১. মূল হুঁশিয়ারি
-
কাদের জন্য ঝুঁকি: যারা জাল ভোট দেওয়া, ব্যালট বাক্স ছিনতাই, ভোটকেন্দ্রে আক্রমণ বা নির্বাচনী সহিংসতা সৃষ্টি করবে, র্যাব তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
-
ফলাফল পরবর্তী সতর্কতা: ভোটের ফলাফল কেন্দ্র করে কোনো নাশকতার চেষ্টা করা হলে সেখানেও কোনো শিথিলতা দেখানো হবে না।
২. নিরাপত্তা প্রস্তুতি ও কৌশল
-
সারাদেশে মোতায়েন: দেশের ৬৪টি জেলা এবং ৮টি মেট্রোপলিটন এলাকায় র্যাবের টিম মোতায়েন করা হয়েছে। স্ট্রাইকিং ও মোবাইল টিমগুলো যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত।
-
সমন্বিত নিরাপত্তা: সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে র্যাব কাজ করছে। গুরুত্বপূর্ণ ও সাধারণ—উভয় ধরনের কেন্দ্রেই ফোর্স মোতায়েন রয়েছে।
-
প্রযুক্তিগত সক্ষমতা: এবারের নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি ড্রোন এবং অন্যান্য আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হচ্ছে।
৩. বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া কোনো বহিরাগত ব্যক্তি ভোটকেন্দ্র এলাকায় অবস্থান করতে পারবেন না। সন্দেহজনক কাউকে দেখলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
র্যাব প্রধানের মতে, জঙ্গি হামলার কোনো সুনির্দিষ্ট হুমকি না থাকলেও পুরো বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তাঁর এই বক্তব্য ভোটারদের মধ্যে সাহস জোগাবে যে তারা নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারবেন।