৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সশস্ত্র বাহিনীর ১৪১ কর্মকর্তার ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি: মূল হাইলাইটস

admin
প্রকাশিত ১১ ফেব্রুয়ারি, বুধবার, ২০২৬ ১৮:৪২:২৮
সশস্ত্র বাহিনীর ১৪১ কর্মকর্তার ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি: মূল হাইলাইটস

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে (২০০৯ – ৪ আগস্ট ২০২৪) রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা বৈষম্যের শিকার কর্মকর্তাদের ক্ষতিপূরণ ও মর্যাদা রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

১. পদোন্নতি ও পুনর্বিন্যাস

  • মোট পদোন্নতি: ১৪১ জন কর্মকর্তা।

  • বিভাগীয় বিভাজন: সেনাবাহিনী (১১০ জন), নৌবাহিনী (১৯ জন) এবং বিমানবাহিনী (১২ জন)।

  • পুনর্বহাল: ৪ জন কর্মকর্তাকে (বিএমএ ৭৫তম লং কোর্স) সরাসরি চাকরিতে ফেরত নেওয়া হয়েছে।

  • সুবিধা: বাকি কর্মকর্তাদের নিয়মিত চাকরির মেয়াদ শেষে অবসরকালীন ভাতা, প্লট এবং অন্যান্য আর্থিক সুবিধা ভূতাপেক্ষভাবে (পেছনের তারিখ থেকে) প্রদান করা হবে।

২. পদমর্যাদা ভিত্তিক উল্লেখযোগ্য পদোন্নতি

পদোন্নতিপ্রাপ্তদের মধ্যে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের তালিকা বেশ দীর্ঘ:

  • সেনাবাহিনী: ২ জন লেফটেন্যান্ট জেনারেল, ৭ জন মেজর জেনারেল এবং ২০ জন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল।

  • নৌবাহিনী: ২ জন কমোডর।

  • বিমানবাহিনী: ১ জন এয়ার ভাইস মার্শাল এবং ৪ জন এয়ার কমোডর।

৩. উল্লেখযোগ্য কয়েকজন কর্মকর্তা

তালিকায় থাকা আলোচিত কিছু নাম:

  • লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমিনুল করিম ও লেফটেন্যান্ট জেনারেল সিনা ইবনে জামালি।

  • ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহিল আমান আযমী।

  • মেজর জেনারেল সৈয়দ ফাতেমী আহমেদ রুমি।

  • এয়ার ভাইস মার্শাল দেলোয়ার হোসেন।


৪. কমিটির কার্যক্রম ও সীমাবদ্ধতা

লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজের নেতৃত্বে গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি এই সুপারিশ প্রদান করে। তবে প্রজ্ঞাপনে একটি সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে:

২০১ জন কর্মকর্তার আবেদন থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় নথিপত্র (Records) না পাওয়ায় তাদের বিষয়ে এই দফায় কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি।


এই পদক্ষেপটি সামরিক বাহিনীর অভ্যন্তরে দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ নিরসনে এবং পেশাদারিত্ব ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।