৩রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৪ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

ভেনিজুয়েলার সার্বভৌমত্বে মার্কিনীদের নগ্ন হামলা,দেশে বামদের ন্যাকা কান্না!

admin
প্রকাশিত ০৪ জানুয়ারি, রবিবার, ২০২৬ ২০:৫৭:০৪
ভেনিজুয়েলার সার্বভৌমত্বে মার্কিনীদের  নগ্ন হামলা,দেশে বামদের ন্যাকা কান্না!

Manual1 Ad Code

সুনির্মল সেন: বাংলাদেশের পাশে ভারতের মতো শক্তিশালী রাষ্ট্র না থাকলে একজন নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিস্থিতিও ভেনিজুয়েলার রাষ্ট্রপতি মাদুরোর মতো হতো। আমেরিকা মূলত পৃথিবীতে তার কোন প্রতিদ্বন্দ্বী, বিরোধী কিংবা তার কথার অবাধ্যকারী কাউকে সে পৃথিবীর কোথাও ক্ষমতায় রাখতে চায় না। এই যে বলা হচ্ছে ইরানের হাজার হাজার মানুষ ইসলামি সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করতেছে। আসলে এই কথাগুলো সত্য নয়। বিক্ষোভ যে হচ্ছে না তা নয়, কিছু হচ্ছে কিন্তু সেটাকে যে রুপ দিয়ে বর্ণনা করা হচ্ছে সেটা মিডিয়ার ভাইরাল।

Manual1 Ad Code

 

Manual3 Ad Code

 

 

আর পৃথিবীর সকল মিডিয়ার কন্ট্রোল আমেরিকার হাতে, এমনকি আল-জাজিরারও। ভেনেজুয়েলার কতো শতাংশ মানুষ মাদুরোর বিপক্ষে তা বোঝার আগেই কিছু মানুষকে রাস্তায় নামিয়ে দেয়া হয়েছে বিভিন্ন অভাব-অভিযোগ ও দাবি-দাওয়া নিয়ে, ঠিক বাংলাদেশের জুলাইয়ে ‘কোটা আন্দোলনের’ মতো করে। আমেরিকার এই ‘মেটিউকুলাস’ কাজটা শুরু হয় বিশ্ব মিডিয়ায় হাইপ তুলে, তারপর আস্তে আস্তে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম দ্বারা পরিধি বাড়ানো হয়। হাজার হাজার ফেইক নিউজে নেট দুনিয়া সয়লাব হয়ে যায়।

Manual6 Ad Code

 

 

 

Manual2 Ad Code

ব্যাস, সারা দুনিয়া মনে করে ওই দেশে তো সকল মানুষ রাস্তায়, তারা সরকার বিরোধী। আর এটাতে বিশেষ করে ‘এনজিও’ তথাকথিত ‘সুশীল সমাজ’, ‘মানবাধিকার কর্মী’ ‘সেলিব্রিটি’ কে নামিয়ে দেয়া হয়। তখন স্ব-স্ব দেশের সরকার পন্থীরা কনফিউজড হয়ে যায়। পরিস্থিতি বুঝে সরকারের পতন ঘটানো হয়। শুরুতে বলছিলাম বাংলাদেশের কথা। বাংলাদেশে যা ঘটেছে, ভেনিজুয়েলায়ও তা ঘটেছে। শুধুমাত্র পার্থক্য হচ্ছে, শেখ হাসিনা নিরাপদে বেঁচে গেছেন, মাদুরো ধরা পড়েছেন। আর সেটা ঘটেছে ভেনিজুয়েলার পাশে ভারতের মতো কোন শক্তিশালী রাষ্ট্র ছিলো না যারা আমেরিকার বিরুদ্ধে কাউন্টার প্ল্যান দেবে। মজার বিষয় হচ্ছে, বাংলাদেশের যে বাম-প্রগতিশীল রাজনৈতিক সংগঠনের কমরেডগণ শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার আন্দোলনে শরীক হয়েছেন তারা আবার ফালাফালি করছেন, মাদুরোর জন্য সভা-সমাবেশ মিছিল-মিটিল করছেন আর অঝোরে ম্যাখা কান্নায় চোখের জল ভাসিয়ে দিচ্ছেন। তারা অন্তত বুঝতে পেরেছেন আমেরিকা কারো বন্ধু না, সে তার প্রতিপক্ষ, প্রতিদ্বন্দ্বী কিংবা বিরুদ্ধবাদী যে কাউকে যে কোন সময় খেয়ে দেয়।