২২শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৮ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৩রা শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের বর্ষপূর্তিতে বিশেষ সম্মাননা পেলেন – খান সেলিম রহমান।

admin
প্রকাশিত ১৩ অক্টোবর, সোমবার, ২০২৫ ২৩:৪৯:১৬
মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের বর্ষপূর্তিতে বিশেষ সম্মাননা পেলেন – খান সেলিম রহমান।

Manual6 Ad Code

মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের বর্ষপূর্তিতে বিশেষ সম্মাননা পেলেন – খান সেলিম রহমান।

 

শেখ মোঃ হুমায়ুন কবির :: রাজধানীর মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সমাজসেবক জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকা’র সম্পাদক ও বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব (বি,সি,পি,সি) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি খান সেলিম রহমান’কে বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সম্মানিত সভাপতি ও দৈনিক প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকা’র প্রকাশক ও সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন। সহ মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের নির্বাহী পরিষদের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এসময় বক্তারা, বর্তমান সময়ের সাংবাদিকতায় যখন অনেকেই স্বার্থ আর প্রভাবের ভেলায় ভেসে যায়, ঠিক তখনই কিছু মানুষ নিজের বিবেক, নীতিবোধ ও সততার মশাল উঁচু করে সমাজের সামনে উদাহরণ হয়ে দাঁড়ান, এমনই একজন অনন্য সাংবাদিক খান সেলিম রহমান।

তিনি শুধুমাত্র একজন সাংবাদিক নন, তিনি সত্য অনুসন্ধানের নির্ভীক যোদ্ধা। তার কলমের প্রতিটি শব্দে থাকে সমাজের বাস্তব চিত্র, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ধ্বনি এবং ন্যায়ের পক্ষে এক অদম্য দৃঢ়তা।

তারা আরও বলেন, “বর্তমান সময়ে সাংবাদিকতা পেশাকে মর্যাদার স্থানে রাখতে যেভাবে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, তা তরুণ সাংবাদিকদের জন্য এক অনুপ্রেরণার উৎস।

বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (বি,সি,পি,সি) এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি খান সেলিম রহমানের কাছে যদি কখনো খবর আসে যে কোনো সাংবাদিক হামলা, মিথ্যা মামলা বা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তিনি তা নিরপেক্ষভাবে দেখেন। তিনি কখনো বিবেচনা করেন না যে সাংবাদিকটি কোন সংগঠন, পত্রিকা বা টেলিভিশনের সঙ্গে যুক্ত। এমন পরিস্থিতিতে তিনি সঙ্গে সঙ্গে সংগঠনের সকল সাংবাদিক নেতা ও সদস্যদের নিয়ে একযোগে প্রতিবাদ জানান, নিউজ মানববন্ধন আয়োজন করেন এবং প্রয়োজন হলে নিজ অর্থায়নে সাংবাদিককে মিথ্যা মামলা থেকে জামিন করিয়ে সাহায্য করেন।

খান সেলিম রহমান শুধু একজন সাংবাদিক নেতা বা সম্পাদক নন, তিনি একজন সমাজসেবক, একজন মানবতার ফেরিওয়ালা। দেশের যেকোনো দুর্যোগ বা সংকটে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং নিজ অর্থায়নে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান।

Manual7 Ad Code

২০২১ সালে বৈশ্বিক মহামারী করোনাকালে বগুড়ায় হাজারো কর্মহীন মানুষের মাঝে প্রায় ১০ লক্ষ টাকার খাদ্যসামগ্রী, শাড়ি, লুঙ্গি, ঈদ সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করেন।
২০২২ সালে শীতকালে তিনি মিরপুর ও বগুড়াসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ছিন্নমূল মানুষ ও পথশিশুদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন।
২০২৩ সালে তিনি বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব (বি,সি,পি,সি) এর পক্ষ থেকে পবিত্র মাহে রমজানে তিনি ইফতার সামগ্রী বিতরণ করে, শীতকালে মিরপুর ও আশেপাশের এলাকার অসহায় ছিন্নমূল মানুষ পথশিশুদের মাঝে কম্পন বিতরণ করেন, সুনামগঞ্জে ভয়াবহ বন্যাপরিস্থিতি হওয়ায় বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে কয়েক লক্ষ টাকার খাদ্যসামগ্রী নিজ হাতে বিতরণ করেন।

Manual1 Ad Code

২০২৪ সালে বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (বি,সি,পি,সি), এর পক্ষ থেকে ফেনী, কুমিল্লা ও নোয়াখালীতে বন্যাদুর্গত অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে ১০ লক্ষ টাকার ত্রাণ ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

২০২৫ সালের শীতকালে
তিনি মিরপুর ও আশেপাশের এলাকার অসহায় ছিন্নমূল মানুষের মাঝে এক হাজার কম্বল বিতরণ করেন।
এছাড়া পবিত্র মাহে রমজানে তিনি দরিদ্র পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেন এবং ঝিনাইদহ জেলার এক নবীন শিল্পীকে উৎসাহ প্রদানের উদ্দেশ্যে একটি নতুন মোবাইল ফোন উপহার দেন।

Manual8 Ad Code

এই সকল মানবিক উদ্যোগের মধ্য দিয়ে তিনি হয়ে উঠেছেন সমাজের নিরব সহযোদ্ধা এবং অসহায় মানুষের আশ্রয়স্থল।

Manual4 Ad Code

বিশেষ সম্মাননা প্রাপ্তির পর অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে খান সেলিম রহমান বলেন, “মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে এ সম্মাননা প্রাপ্তি আমার জন্য এক গভীর অনুপ্রেরণার মুহূর্ত। আমি এই সম্মাননাকে শুধু ব্যক্তিগত প্রাপ্তি হিসেবে দেখি না, বরং এটি তাঁদের প্রতি উৎসর্গ করছি, যারা সত্য ও ন্যায়ের পথে থেকে সাংবাদিকতার মাধ্যমে সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, “সাংবাদিকতা আমার নেশা ও পেশা, মানুষের কল্যাণে কাজ করাই আমার জীবনের লক্ষ্য। সমাজ ও দেশের উন্নয়নে কলমের মাধ্যমে সত্য প্রকাশের এই লড়াই আমি শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত চালিয়ে যেতে চাই।

অনুষ্ঠান শেষে কেক কাটা, সম্মাননা স্মারক বিতরণ এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে বর্ষপূর্তি উৎসবের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

পুরো অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত ও স্মরণীয় করে তুলতে সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও নির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ।
তাঁদের নিষ্ঠা, সহযোগিতা এবং পরিকল্পনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি এক সফল ও অনুপ্রেরণামূলক আয়োজন হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের এই আয়োজন শুধু একটি উৎসব নয়, এটি ছিল সাংবাদিকতা, মানবতা ও সমাজসেবার প্রতি অঙ্গীকারের এক অনন্য উদাহরণ, যেখানে খান সেলিম রহমানের মতো মানবিক সাংবাদিক নেতাদের অবদান নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে থাকবে।