সিলেটে এআই সেন্টার নির্মাণের ঘোষণা দিলেন তিন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মুক্তাদির
সিলেটে এআই সেন্টার নির্মাণের ঘোষণা দিলেন তিন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মুক্তাদির
admin
প্রকাশিত ২০ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার, ২০২৬ ২৩:০০:৩১
নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সিলেট-১ আসন থেকে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর শিল্প, বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হিসেবে নিজ শহর সিলেটে পা রেখেছেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। আজ শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাকে রাজকীয় অভ্যর্থনা জানানো হয়।
বিমানবন্দরে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা
বিমানবন্দরে মন্ত্রীকে ফুল দিয়ে বরণ করেন সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ স্থানীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। এসময় সিলেট-৩ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এম এ মালিক এবং বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
সিলেটের জন্য ‘এআই সেন্টার’-এর পরিকল্পনা
সিলেটের উন্নয়ন নিয়ে নিজের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী আব্দুল মুক্তাদির বলেন, “আমি সিলেটে একটি অত্যাধুনিক এআই (Artificial Intelligence) সেন্টার তৈরি করতে চাই।” তিনি বিশ্বাস করেন, প্রযুক্তিনির্ভর এই উদ্যোগ সিলেটের তরুণ প্রজন্মের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ ও রপ্তানি খাত
দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, “গত পাঁচ মাস ধরে দেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক ছিল। এই অবস্থা থেকে উত্তরণ করাই আমাদের আগামী দিনের প্রধান চ্যালেঞ্জ।” তিনি আরও যোগ করেন, “আমাদের রপ্তানি বাণিজ্য বর্তমানে একটি পণ্যের (তৈরি পোশাক) ওপর নির্ভরশীল। তবে অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে রপ্তানি খাতে নতুন নতুন পণ্য সংযোজন করার কোনো বিকল্প নেই।”
রমজানে বাজার নিয়ন্ত্রণ
পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপণ্যের দাম ও সরবরাহ নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী আশ্বস্ত করে বলেন, “বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো বাজার নিয়ন্ত্রণ করা। বর্তমানে আমাদের হাতে যে পরিমাণ পণ্যের সরবরাহ আছে, তা বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য পর্যাপ্ত। তাই রমজানে পণ্য সংকট বা দাম নিয়ে শঙ্কার কোনো কারণ নেই।”
বিনিয়োগ ও প্রশাসনিক সংস্কার
সিলেটের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং লাল ফিতার দৌরাত্ম্য কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, বিশেষ নীতি সহায়তার মাধ্যমে সিলেটে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো হবে। প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে ব্যবসায়িক পরিবেশ আরও সহজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।