৩রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সিলেটে কাল বেলার নামে অপপ্রচার, থানায় জিডি

admin
প্রকাশিত ০২ আগস্ট, রবিবার, ২০২৬ ২০:৫১:০৩
সিলেটে কাল বেলার নামে অপপ্রচার, থানায় জিডি

সিলেটে কালবেলার নামে অপপ্রচার, থানায় জিডি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যমে ভুয়া ভিডিও ছড়িয়ে মানহানির অভিযোগ

 

অনলাইন ডেস্ক :: সিলেটে দৈনিক কালবেলার অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর পত্রিকার নাম ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র ভুয়া ভিডিও ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে কালবেলা এবং এর সিলেট ব্যুরো প্রধান মিঠু দাস জয়ের সুনাম ক্ষুণ্ণের চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সিলেটের কোতোয়ালি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন দৈনিক কালবেলার সিলেট ব্যুরো প্রধান মিঠু দাস জয়।

শনিবার (১ আগস্ট) দিবাগত রাতে কোতোয়ালি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়।

প্রতারক চক্র এর আগে দৈনিক কালবেলার বিভিন্ন রিপোর্টারের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন লোকজনের কাছ থেকে হুমকি দিয়ে টাকা আদায় করেছে বলে কালবেলা কর্তৃপক্ষ অভিযোগ পেয়েছে এবং থানায় জিডি করেছে। ভিডিওতে দৈনিক কালবেলার নাম ভাঙিয়ে টাকা নেওয়ার যে খবর ছড়ানো হয়েছে, তার সঙ্গে কালবেলা কর্তৃপক্ষের কেউ জড়িত নন এবং যে ব্যক্তির নাম ও ছবি ব্যবহার করা হয়েছে তার সঙ্গেও কালবেলার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

 

জিডিতে উল্লেখ করা হয়, শুক্রবার দৈনিক কালবেলায় ওসি মনিরের খেয়াল খুশির রাজত্ব শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। যথাযথ নিয়ম মেনে ওসি মনির হোসেন ও ভুক্তভোগীদের বক্তব্য দিয়ে ঢাকা অফিস থেকে সংবাদটি প্রকাশিত হয়। পরদিন কথিত এক ফটো সাংবাদিকের বক্তব্য নেওয়ার পর থেকে চাঁদাবাজরা বেপরোয়া হয়ে পড়ে।

শনিবার একটি ভিডিও তৈরি করে ‘২০ হাজার টাকা খেয়ে ওসি মনিরের বিরুদ্ধে নিউজ করলেন মিঠু দাস জয়’ স্ক্রিন শট ভাইরাল করে একটি প্রতারক চক্র। ভিডিওতে মিঠু দাস জয়ের কয়েকটি ছবি ব্যবহার করে চাঁদার বিষয়টি প্রকাশ করে।

শাহপরান থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের ১ম যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুম আহমদ চৌধুরী কালবেলার সিলেট ব্যুরো প্রধান মিঠু দাস জয়কে বলেন, সাইফুল নামে কেউ দৈনিক কালবেলার কথা বলে টাকা নিয়েছে কি না? আমি সাইফুল নামে কাউকে চিনি না বলে জানাই। সে সময় মাসুম আহমদ চৌধুরী আমার অনুমতি ছাড়া হোয়াটসঅ্যাপে কল রেকর্ড করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, জাস্ট সিলেট নিউজ, ডেইলি সিলেট ২৪ সহ কথিত কয়েকটি পেইজে পোস্ট করেন। এ ঘটনায় দৈনিক কালবেলা ও আমার সুনাম ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। এই প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি অনুরোধ জানান মিঠু দাস জয়।

এদিকে, প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন পুলিশ কনস্টেবল সুশান্ত বৈষ্ণব। শনিবার রাতে তিনি এ ডায়েরি করেন।

পুলিশ কনস্টেবল সুশান্ত বৈষ্ণব কাল বেলাকে বলেন, শনিবার একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে আমার কাছে ফোন আসে। ফোনের অন্য প্রান্তের ব্যক্তি প্রথমে আমার পরিচয় নিশ্চিত করে নিজেকে দৈনিক কালবেলা পত্রিকার প্রতিনিধি হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি দাবি করেন, ওসির বিরুদ্ধে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি তার মাধ্যমেই করা হয়েছে। এরপর জরুরি রিপোর্টিংয়ের কাজে মোটরসাইকেলে তেল ভরার কথা বলে আমার কাছে এক হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা দাবি করেন।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি আমার কাছে সন্দেহজনক মনে হওয়ায় আমি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানাই এবং তার পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হতে চাই। তখন তিনি নানা ধরনের টালবাহানা শুরু করেন। আমি তাকে সরাসরি দেখা করার প্রস্তাব দিলে তিনি তা এড়িয়ে যান এবং এক পর্যায়ে ফোন কেটে দেন।

পরে আমি দৈনিক কালবেলা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা আমাকে স্পষ্টভাবে জানান, ওই ব্যক্তি বা ব্যবহৃত নম্বরের সঙ্গে পত্রিকার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর নিজের নিরাপত্তার স্বার্থে আমি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করি।

এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে যে, ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে কালবেলা বা কালবেলার সিলেট ব্যুরো প্রধানের মাধ্যমে ওসির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এ ধরনের দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা। কালবেলা বা তাদের কোনো প্রতিনিধি আমার কাছে কোনো অর্থ দাবি করেনি এবং কারও কাছ থেকে কোনো ধরনের সুবিধাও নেয়নি।

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যমে ভুয়া ভিডিও ছড়িয়ে মানহানির অভিযোগ

 

অনলাইন ডেস্ক :: সিলেটে দৈনিক কালবেলার অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর পত্রিকার নাম ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র ভুয়া ভিডিও ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে কালবেলা এবং এর সিলেট ব্যুরো প্রধান মিঠু দাস জয়ের সুনাম ক্ষুণ্ণের চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সিলেটের কোতোয়ালি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন দৈনিক কালবেলার সিলেট ব্যুরো প্রধান মিঠু দাস জয়।

শনিবার (১ আগস্ট) দিবাগত রাতে কোতোয়ালি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়।

প্রতারক চক্র এর আগে দৈনিক কালবেলার বিভিন্ন রিপোর্টারের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন লোকজনের কাছ থেকে হুমকি দিয়ে টাকা আদায় করেছে বলে কালবেলা কর্তৃপক্ষ অভিযোগ পেয়েছে এবং থানায় জিডি করেছে। ভিডিওতে দৈনিক কালবেলার নাম ভাঙিয়ে টাকা নেওয়ার যে খবর ছড়ানো হয়েছে, তার সঙ্গে কালবেলা কর্তৃপক্ষের কেউ জড়িত নন এবং যে ব্যক্তির নাম ও ছবি ব্যবহার করা হয়েছে তার সঙ্গেও কালবেলার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

 

জিডিতে উল্লেখ করা হয়, শুক্রবার দৈনিক কালবেলায় ওসি মনিরের খেয়াল খুশির রাজত্ব শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। যথাযথ নিয়ম মেনে ওসি মনির হোসেন ও ভুক্তভোগীদের বক্তব্য দিয়ে ঢাকা অফিস থেকে সংবাদটি প্রকাশিত হয়। পরদিন কথিত এক ফটো সাংবাদিকের বক্তব্য নেওয়ার পর থেকে চাঁদাবাজরা বেপরোয়া হয়ে পড়ে।

শনিবার একটি ভিডিও তৈরি করে ‘২০ হাজার টাকা খেয়ে ওসি মনিরের বিরুদ্ধে নিউজ করলেন মিঠু দাস জয়’ স্ক্রিন শট ভাইরাল করে একটি প্রতারক চক্র। ভিডিওতে মিঠু দাস জয়ের কয়েকটি ছবি ব্যবহার করে চাঁদার বিষয়টি প্রকাশ করে।

শাহপরান থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের ১ম যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুম আহমদ চৌধুরী কালবেলার সিলেট ব্যুরো প্রধান মিঠু দাস জয়কে বলেন, সাইফুল নামে কেউ দৈনিক কালবেলার কথা বলে টাকা নিয়েছে কি না? আমি সাইফুল নামে কাউকে চিনি না বলে জানাই। সে সময় মাসুম আহমদ চৌধুরী আমার অনুমতি ছাড়া হোয়াটসঅ্যাপে কল রেকর্ড করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, জাস্ট সিলেট নিউজ, ডেইলি সিলেট ২৪ সহ কথিত কয়েকটি পেইজে পোস্ট করেন। এ ঘটনায় দৈনিক কালবেলা ও আমার সুনাম ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। এই প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি অনুরোধ জানান মিঠু দাস জয়।

এদিকে, প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন পুলিশ কনস্টেবল সুশান্ত বৈষ্ণব। শনিবার রাতে তিনি এ ডায়েরি করেন।

পুলিশ কনস্টেবল সুশান্ত বৈষ্ণব কাল বেলাকে বলেন, শনিবার একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে আমার কাছে ফোন আসে। ফোনের অন্য প্রান্তের ব্যক্তি প্রথমে আমার পরিচয় নিশ্চিত করে নিজেকে দৈনিক কালবেলা পত্রিকার প্রতিনিধি হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি দাবি করেন, ওসির বিরুদ্ধে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি তার মাধ্যমেই করা হয়েছে। এরপর জরুরি রিপোর্টিংয়ের কাজে মোটরসাইকেলে তেল ভরার কথা বলে আমার কাছে এক হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা দাবি করেন।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি আমার কাছে সন্দেহজনক মনে হওয়ায় আমি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানাই এবং তার পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হতে চাই। তখন তিনি নানা ধরনের টালবাহানা শুরু করেন। আমি তাকে সরাসরি দেখা করার প্রস্তাব দিলে তিনি তা এড়িয়ে যান এবং এক পর্যায়ে ফোন কেটে দেন।

পরে আমি দৈনিক কালবেলা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা আমাকে স্পষ্টভাবে জানান, ওই ব্যক্তি বা ব্যবহৃত নম্বরের সঙ্গে পত্রিকার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর নিজের নিরাপত্তার স্বার্থে আমি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করি।

এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে যে, ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে কালবেলা বা কালবেলার সিলেট ব্যুরো প্রধানের মাধ্যমে ওসির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এ ধরনের দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা। কালবেলা বা তাদের কোনো প্রতিনিধি আমার কাছে কোনো অর্থ দাবি করেনি এবং কারও কাছ থেকে কোনো ধরনের সুবিধাও নেয়নি।