৮ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

আমি একজন মুসলিম হিসেবে মন্দিরে সহযোগীতা করতে পারি না : ফাাহিম আল কবির

admin
প্রকাশিত ০৭ জুন, রবিবার, ২০২৬ ১১:০৯:০৩
আমি একজন মুসলিম হিসেবে মন্দিরে সহযোগীতা করতে পারি না : ফাাহিম আল কবির

ফাহিম আল চৌধুরীর সিদ্ধান্ত ও ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি সম্মান

সম্প্রতি ফাহিম আল চৌধুরী তাঁর ট্রাস্টের দান-সংক্রান্ত একটি সভায় বিভিন্ন আবেদন পত্র পর্যালোচনা করছিলেন। এসব আবেদনের মধ্যে একটি মন্দির নির্মাণের জন্য আর্থিক সহায়তার আবেদনও ছিল। এ বিষয়ে তিনি ফেইসবুক লাইভে জানান, একজন মুসলিম হিসেবে তিনি মন্দির নির্মাণে অর্থায়ন করতে পারবেন না, কারণ তাঁর ধর্মীয় বিশ্বাস ও ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি তাকে সে অনুমতি দেয় নি।

তবে তিনি এটিও স্পষ্ট করেন যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা সম্প্রদায়ের অন্য কোনো মানবিক, সামাজিক, শিক্ষা বা জনকল্যাণমূলক প্রয়োজন থাকলে তা বিবেচনা করে সহযোগিতার বিষয়ে তিনি আগ্রহী।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—প্রত্যেক ব্যক্তির নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস ও নীতিমালা অনুসরণ করার অধিকার রয়েছে। যেমন আমরা নিজেদের বিশ্বাসের প্রতি সম্মান প্রত্যাশা করি, তেমনি অন্যের ধর্মীয় অবস্থান ও সীমারেখাকেও সম্মান করা উচিত। পারস্পরিক সহনশীলতার অর্থ ভিন্নমত বা ভিন্ন বিশ্বাসকে মুছে ফেলা নয়; বরং তা সম্মানের সঙ্গে গ্রহণ করা।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, “সৎকর্ম ও তাকওয়ার কাজে একে অপরকে সহযোগিতা করো, আর পাপ ও সীমালঙ্ঘনের কাজে একে অপরকে সহযোগিতা করো না।” — সূরা আল-মায়িদাহ, আয়াত ২

ইসলামী ব্যাখ্যা অনুযায়ী, একজন মুসলিম তাঁর ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো ধর্মীয় উপাসনালয় নির্মাণে অর্থায়ন থেকে বিরত থাকতে পারেন। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে ফাহিম আল চৌধুরীর এই সিদ্ধান্তকে তাঁর ব্যক্তিগত ধর্মীয় বিশ্বাস ও নীতির অনুসরণ হিসেবে দেখা যেতে পারে। একই সঙ্গে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি সম্মান, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং মানবিক সহযোগিতার মানসিকতাও সমাজে সমান ভাবে গুরুত্বপূর্ণ।