২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

কোম্পানীগঞ্জে বশির আহমদের সমর্থনে উঠান বৈঠক, জনসমাগমে মুখর চাটিবহড়

admin
প্রকাশিত ২৬ অক্টোবর, সোমবার, ২০২৬ ১৫:০৪:২৭
কোম্পানীগঞ্জে বশির আহমদের সমর্থনে উঠান বৈঠক, জনসমাগমে মুখর চাটিবহড়

কোম্পানীগঞ্জে বশির আহমদের সমর্থনে উঠান বৈঠক, জনসমাগমে মুখর চাটিবহড়

কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি: সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ৩নং তেলিখাল ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের চাটিবহড় গ্রামে আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে মেম্বার প্রার্থী বশির আহমদের সমর্থনে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় আয়োজিত এ বৈঠকে তিন গ্রামের বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, চাটিবহড়, নোয়াগাঁও ও কেছুটিলা গ্রামের প্রায় এক হাজার মানুষের সমাগম ঘটে এ উঠান বৈঠকে। উপস্থিতি এত বেশি ছিল যে বাড়ির আঙিনা ছাড়িয়ে বারান্দা ও ছাদেও অবস্থান নেন অনেকে। এতে পুরো এলাকায় নির্বাচনী আমেজ ছড়িয়ে পড়ে।

বৈঠকে তিন গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন। বক্তারা আগামী নির্বাচনে ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার হিসেবে বশির আহমদকে সমর্থনের কথা জানান।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ও বশির আহমদের ছেলে জুয়েল আহমদ। তিনি বলেন, “ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচনে অংশ নিয়ে আমার বাবা বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছিলেন। কিন্তু বিএনপির রাজনীতি করার কারণে বিভিন্ন সময় তাঁকে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “ইনশাআল্লাহ, আমার বাবা পুনরায় নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী আমার বাবাকে পছন্দ করেন এবং ‘লম্বা বশির’ নামে ডাকেন। আপনাদের সমর্থন ও সহযোগিতা পেলে চাটিবহড়, নোয়াগাঁও ও কেছুসুটিলা গ্রামের উন্নয়নে সর্বাত্মক ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।”

বক্তব্যে বশির আহমদ বলেন, অতীতে বিভিন্নভাবে বঞ্চিত হলেও তিনি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন। রাস্তাঘাটের উন্নয়ন এবং যোগ্য ব্যক্তিদের বিভিন্ন সরকারি ভাতা প্রাপ্তিতে সহযোগিতা করেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, “আমি যদি আবার নির্বাচিত হই, তাহলে এলাকার মানুষের সেবা এবং তাঁদের ন্যায্য প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে যা যা করণীয়, ইনশাআল্লাহ, সবকিছু করার চেষ্টা করব।”

উঠান বৈঠকটি ঘিরে তিন গ্রামের মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। তবে আসন্ন নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত ভোটারদের সমর্থন কতটা প্রতিফলিত হয়, তা নির্ধারিত হবে ভোটের মাঠে।