সিলেট নগরে কাস্টঘর এলাকায় হরিজন সম্প্রদায়ের হৃদয় বাঁসফোর হত্যার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নরসিংদীর মাধবদী থানার পাঁচদোনা মোড় এলাকায় অ’ভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ইমন আহমেদ, রুমান আহমদ সাজ্জাদ ও পারভেজ। তবে এ ঘটনায় করা মামলায় নাম থাকা মূল অভিযুক্ত আমিন আহমদ এখনো পলাতক। তাঁকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
গত ১১ অক্টোবর রাতে হৃদয় বাঁসফোরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আ’ঘাত করা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। অভিযোগ উঠেছে, স্ত্রীর ছবি তোলার প্রতিবাদ করাকে কেন্দ্র করে হত্যাকা’ণ্ডের শিকার হয়েছেন হৃদয় বাঁসফোর। একজন মানুষের এমন মর্মান্তিক মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
এই হত্যাকা’ণ্ডের ঘটনায় দ্রুত অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করায় কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও সাধুবাদ জানাই। অপরাধীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের এই তৎপরতা প্রশংসনীয়।
তবে এখনো একজন মূল অভিযুক্ত পলাতক। তাঁকেও দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। হৃদয় বাঁসফোর হত্যার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কোনো অপ’রাধী যেন পার পেয়ে না যায়, কোনো প্রভাব যেন বিচারের পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। এই হত্যা’কাণ্ডে জড়িতদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
হৃদয় বাঁসফোর আর কখনো তাঁর পরিবারের কাছে ফিরে আসবেন না। তাঁর পরিবার প্রিয় মানুষটিকে হারিয়েছে, কিন্তু তারা যেন ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হয়। হরিজন সম্প্রদায়ের একজন মানুষের এমন নি’র্মম মৃত্যুর সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।
আমরা হৃদয় বাঁসফোর হত্যার ন্যায়বিচার চাই। হত্যাকা’ণ্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। হৃদয় বাঁসফোরের পরিবার যেন ন্যায়বিচার পায়।