সিলেটে হুসাইনিয়া মাদানিয়া মাদরাসার ১২তম ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত
সিলেটে হুসাইনিয়া মাদানিয়া মাদরাসার ১২তম ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত
admin
প্রকাশিত ০৬ নভেম্বর, শুক্রবার, ২০২৬ ২৩:৫২:৩৭
সিলেটে হুসাইনিয়া মাদানিয়া মাদরাসার ১২তম ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত
জাহেদ আহমদ (সাকিল) :: সিলেটের চালিবন্দরস্থ হুসাইনিয়া মাদানিয়া মাদরাসার ১২তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাগো মুসলিম পরিষদ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি, মাদরাসাটির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মাওলানা হুসাইন আহমদের প্রতিষ্ঠিত এ দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে আয়োজিত মাহফিলে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিশিষ্ট আলেম-ওলামা ও ধর্মীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান পেশ করেন।
মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন হযরত মাওলানা আব্দুল হালিম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মাওলানা জামিল আহমদ।
মাহফিলের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওলাদে রাসুল (সা.) আল্লামা শায়েখ মাসউদ মাদানি (ভারত)। প্রধান বক্তা হিসেবে বয়ান পেশ করেন মাওলানা বদরউদ্দিন (ভারত)।
এছাড়াও মাহফিলে বক্তব্য রাখেন হাফিজ মাওলানা আহমদ সগীর, মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী, মাওলানা জহিরুল হক চৌধুরী (ঢাকা), মুফতি মাওলানা আবু হানিফা (নরসিংদী), মাওলানা মুহসিন আহমদ রব্বানী, মাওলানা ইসলামুল হক মাদানি, মাওলানা ফরহাদ, মাওলানা লুৎফুর রহমান উসমানী, মাওলানা তাফাজ্জুল হক ফরিদী, মাওলানা তৌফায়েল আহমদ কামরান, মুফতি মাওলানা জয়নাল ও মাওলানা ইয়াছিন আরাফাতসহ দেশ-বিদেশের আরও বিশিষ্ট আলেম-ওলামা।
উল্লেখ্য, হুসাইনিয়া মাদানিয়া মাদরাসা প্রতিষ্ঠার পর থেকে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে দেশ, জাতি ও সমাজের কল্যাণে দ্বীনি শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে শত শত শিক্ষার্থীকে পবিত্র কোরআন ও ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলেছে। মাদরাসার সাবেক শিক্ষার্থীদের অনেকে বর্তমানে বিভিন্ন কলেজ ও বড় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করছেন। আবার অনেকে মুফতি, মাওলানা, মুহাদ্দিস ও শিক্ষক হিসেবে দ্বীনি শিক্ষা এবং মানবকল্যাণে দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রতিষ্ঠানটির এমন অবদানকে এলাকাবাসী ও ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। মাহফিলের মাধ্যমে দ্বীনি শিক্ষা, ইসলামী মূল্যবোধ ও নৈতিকতার চর্চা আরও বিস্তৃত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।
মহান আল্লাহ তাআলা এই দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এর প্রতিষ্ঠাতা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে কবুল করুন এবং তাঁদের মাধ্যমে দেশ, জাতি ও মানবতার কল্যাণ সাধন করুন—এমন প্রত্যাশা উপস্থিত সবার।