সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: আসন্ন শারদীয় দূর্গোৎসব ২০২৬ শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে সুনামগঞ্জে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার সকাল ১১টায় বাংলদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সুনামগঞ্জ জেলা শাখার আয়োজনে শহরের শহীদ জগৎজ্যোতি পাঠাগার মিলনায়তন হলে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার ১২টি উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
সুনামগঞ্জ জেলা পূজা উদযান পরিষদের সভাপতি এ্যাডভোকেট গৌরাঙ্গ পদ দাসের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মণি কাঞ্চন দাস ও পৌর শাখার সাধারন সম্পাদক বিধান চন্দ্র দাসের যৌথ সঞ্চালনায় সভার শুরুতেই স্বাগত বক্তব্যে রাখেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারন সম্পাদক বিপ্রেশ কুমার রায় বাপ্পী।
এছাড়াও বক্তব্যে রাখেন জেলা পূজা উদযাপন কমিটির উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য যোগেশ্বর দাস,সুখেন্দু সেন হারু,জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি এড. বিমান কান্তি রায়,সুনামগঞ্জ জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের আহবায়ক কলি তালুকদার আরতি,সদস্য সচিব বাবু বিমল বণিক,জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সিনিয়র সহ সভাপতি চঞ্চল কুমার লৌহ,দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব কান্তি তালুকদার,সাংগঠনিক সম্পাদক সেতুল বাবু তালুকদার,সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অমর চক্রবর্তী,আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. অঞ্জন ভৌমিক,মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা রুপালী সোম পম্পা,শান্তিগঞ্জ উপজেলা পূজা কমিটির সভাপতি জ্যোতিভূষন তালুকদার,জামালগঞ্জ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারন সম্পাদক বাবু অজিত রায়,বিশ্বম্ভরপুর পূজা কমিটির সভাপতি সাংবাদিক স্বপন কুমার বর্মণ,ছাতকের সভাপতি অরুণ অধিকারী,তাহিরপুর পূজা কমিটির সাধারন সম্পাদক গণেশ তালুকদার,সদর উপজেলা শাখার সভাপতি সন্তু রায় সন্তু,মল্লিকপুর পূজা মন্ডপের লিপন বৈদ্য বাবু,কেজাউরা পূজা মন্ডপের সভাপতি সুকুমার দাস,রাম কৃষ্ণ মিশন পূজা মন্ডপের সাধারন সম্পাদক মুক্তিপদ রায় বাবু,আসাউরা পূজা মন্ডপের সাধারন সম্পাদক সাংবাদিক কর্ণ বাবু দাসসহ প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দরা বলেন,সুনামগঞ্জ জেলা হচ্ছে সম্প্রীতির একটি নিদর্শন। এই জেলায় প্রতিটি ধর্মের মানুষের মাঝে যে ভাতৃত্বের বন্ধন রয়েছে তা নিয়ে আমরা গর্ব করতে পারি। এই বৃহত্তম উৎসব সম্পন্ন করতে সুনামগঞ্জের সকল ধর্মের মানুষের সার্বিক সহযোগিতা চান নেতৃবৃন্দরা। তারা আরো বলেন,প্রতিটি পূজামন্ডপ হবে এমন একটি স্থান, যেখানে সকল মায়েরা তাদের ছেলেমেয়েদের নিয়ে নিশ্চিন্তে আসতে পারেন,সেইজন্য প্রতিটি পূজামন্ডপে স্বেচ্ছাসেবীরা কাজ করবেন এবং প্রতিটি পূজা মন্ডপে সিসি ক্যামেরা বসানো হবে এবং যেকোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ স্থাপন করা হবে।
আগামী ১৬ই অক্টোবর মহাষষ্ঠী পূজার মধ্যে দিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমী প্রতিমা বির্সজনের মধ্যে দিয়ে পূজার কার্যক্রম শেষ হবে। চলতি বছর জেলার ১২টি উপজেলায় ৪৪৪টি পূজামন্ডপে দূর্গোপূজা অনুষ্ঠিত হবে। তবে পৌরানিক মতে এবার মা দূর্গা গোটে(ঘোড়ায়) চড়ে ধরাদামে আসবেন এবং তিনি নৌকায় চড়ে কৈলাশে তার মায়ের গৃহে ফিরে যাবেন।