সিসিকের টেন্ডার কি আকবর, রাখাল ও অরুণের পৈত্রিক সম্পত্তি?
সিসিকের টেন্ডার কি আকবর, রাখাল ও অরুণের পৈত্রিক সম্পত্তি?
admin
প্রকাশিত ২৬ জুলাই, রবিবার, ২০২৬ ১৬:২৮:৪৯
সিসিকের টেন্ডার কি আকবর, রাখাল ও অরুণের পৈত্রিক সম্পত্তি?
বারুদ ডেক্স প্রতিবেদন :: সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)-এর বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডার কার্যক্রম নিয়ে আবারও নানা প্রশ্ন ও আলোচনা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় ঠিকাদারদের একটি অংশের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একই প্রভাবশালী গোষ্ঠীর হাতে অধিকাংশ টেন্ডার চলে যাচ্ছে। এ কারণে অনেক যোগ্য ও অভিজ্ঞ ঠিকাদার প্রতিযোগিতামূলকভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে দাবি করা হচ্ছে।
অভিযোগকারীদের ভাষ্য, সিসিকের টেন্ডার ব্যবস্থাপনা যেন নির্দিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তাদের দাবি, আকবর, রাখাল ও অরুণ নামের তিন ব্যক্তির প্রভাব এতটাই বিস্তৃত যে অনেকেই মনে করেন, টেন্ডারগুলো যেন তাদেরই “পৈত্রিক সম্পত্তি”। যদিও এ অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় নির্মাণ খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি ক্রয় কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা এবং সমান সুযোগ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। যদি কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী অবৈধভাবে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করে থাকে, তবে তা সরকারি নীতিমালা ও সুশাসনের পরিপন্থী।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।
সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করেন, সিসিকের সব টেন্ডার কার্যক্রমে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন হলে স্বাধীন তদন্ত, ই-জিপি (e-GP) প্রক্রিয়ার কঠোর অনুসরণ এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ যাচাই করা উচিত। এতে প্রকৃত ঠিকাদাররা সমান সুযোগ পাবেন এবং জনস্বার্থও সুরক্ষিত হবে।
এদিকে, সচেতন নাগরিকদের দাবি, অভিযোগগুলো যদি ভিত্তিহীন হয় তবে সংশ্লিষ্টদের প্রকাশ্যে তা খণ্ডন করা উচিত। আর যদি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়, তাহলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কারণ সরকারি অর্থে পরিচালিত উন্নয়ন প্রকল্প কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে না।