সিলেট নার্সিং কলেজের মেধাবী মুখ ও মৌলভীবাজারের শ্রাবণী ধরের আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোকের ছায়া
সিলেট নার্সিং কলেজের মেধাবী মুখ ও মৌলভীবাজারের শ্রাবণী ধরের আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোকের ছায়া
admin
প্রকাশিত ৩০ অক্টোবর, শুক্রবার, ২০২৬ ২০:৪৬:৩২
সিলেট নার্সিং কলেজের মেধাবী মুখ ও মৌলভীবাজারের শ্রাবণী ধরের আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোকের ছায়া
মৃত্যু যে কত দ্রুত এবং নিষ্ঠুর হতে পারে, তা যেন আবারও প্রমাণ হলো সিলেট নার্সিং কলেজের নবম ব্যাচের প্রাক্তন মেধাবী শিক্ষার্থী ও পার্কভিউ নার্সিং কলেজের ক্লিনিক্যাল ইন্সট্রাক্টর শ্রাবণী ধরের আকস্মিক প্রয়াণে। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৩১ বছর বয়সে না ফেরার দেশে চলে গেছেন তিনি। তাঁর এই অকালবিদায় অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও হৃদয়বিদারক; যা কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না তাঁর সহকর্মী, সহপাঠী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।
মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার বাসিন্দা শ্রাবণী ধর কর্মজীবনে অত্যন্ত প্রাণবন্ত, দায়িত্বশীল ও মিশুক স্বভাবের মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পার্কভিউ নার্সিং কলেজে ক্লিনিক্যাল ইন্সট্রাক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি নতুন সহকর্মীদের পরম মমতায় ও নিজ দায়িত্বে কাজ শিখিয়েছিলেন। প্রথম চাকরির নার্ভাসনেস ও নতুন পরিবেশের জড়তা কাটাতে তাঁর সেই আন্তরিক সহযোগিতা ও সাহস জোগানোর ভূমিকা আজও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন তাঁর সহকর্মীরা। কেবল কর্মক্ষেত্রেই নয়, সিলেট নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থী থাকাকালীনও তিনি ছিলেন সবার অত্যন্ত প্রিয় ও শ্রদ্ধার পাত্র।
শ্রাবণী ধরের আকস্মিক মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই তাঁর জন্মস্থান কুলাউড়া ও সিলেটে গোটা নার্সিং অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। চেনা এই মানুষটির হাসিমাখা মুখটি বারবার চোখের সামনে ভেসে উঠছে সবার। এত প্রাণবন্ত একজন মানুষ আজ স্মৃতি—এ কথা যেন বিশ্বাস করতেই কষ্ট হচ্ছে পরিজনদের।
জীবন আসলেই অদ্ভুত ও অনিশ্চিত। প্রতিদিনের চেনা মুখগুলো যে হুট করেই হারিয়ে যেতে পারে, তা এই অনাকাঙ্ক্ষিত প্রয়াণ আবারও মনে করিয়ে দিল। আগামীকালকে নিয়ে মানুষের কতশত পরিকল্পনা থাকলেও, জীবনের কোনো নিশ্চয়তা নেই—এই নির্মম সত্যটিই আজ সবার হৃদয়কে নাড়া দিচ্ছে।
শ্রাবণী ধরের এই অকালপ্রয়াণে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন তাঁর বিভিন্ন ব্যাচের সহপাঠী, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে।