সুস্থ থাকতে এবং কর্মক্ষমতা বাড়াতে দৈনিক ৭-৯ ঘণ্টা মানসম্মত ঘুম প্রয়োজন। এর জন্য নিচের নিয়মগুলো মেনে চলা জরুরি:
১. সময়ানুবর্তিতা ও রুটিন
-
দেহঘড়ি বা সার্কেডিয়ান রিদম: প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমানো এবং ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করুন (ছুটির দিনেও)।
-
বেডটাইম রুটিন: ঘুমানোর ১ ঘণ্টা আগে থেকে শরীর ও মস্তিষ্ককে শান্ত করার জন্য হালকা গরম পানিতে গোসল, বই পড়া বা শান্ত গান শোনার মতো কাজ করুন।
২. ডিজিটাল ডিটক্স (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ)
-
ব্লু-লাইট বর্জন: মোবাইল, ল্যাপটপ বা টিভির নীল আলো মেলাটোনিন (ঘুমের হরমোন) নিঃসরণ কমিয়ে দেয়।
-
৩০-৬০ মিনিটের নিয়ম: ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে সব ধরনের ডিজিটাল স্ক্রিন থেকে দূরে থাকুন।
৩. খাদ্য ও পানীয় নিয়ন্ত্রণ
-
ক্যাফেইন: বিকেল ৪টার পর চা, কফি বা এনার্জি ড্রিংক এড়িয়ে চলুন, কারণ এর প্রভাব শরীরে ৬-৮ ঘণ্টা থাকে।
-
ভারী খাবার: রাতে ঘুমানোর অন্তত ২-৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করুন। ধূমপান ও অ্যালকোহল গভীর ঘুমের পথে প্রধান অন্তরায়।
৪. দিনের অভ্যাস ও পরিবেশ
৫. মানসিক প্রশান্তি ও চিন্তামুক্ত থাকা
-
চিন্তা ঝেড়ে ফেলুন: আগামী দিনের কাজের তালিকা (To-do list) আগেভাগেই লিখে রাখুন যেন রাতে বিছানায় শুয়ে চিন্তা করতে না হয়।
-
শ্বাসের ব্যায়াম: স্ট্রেস কমাতে গভীর শ্বাস নেওয়ার ব্যায়াম বা ধ্যান (Meditation) করুন।
বিশেষ নোট: ঘুমের পরিবেশ হওয়া উচিত অন্ধকার, শান্ত এবং আরামদায়ক তাপমাত্রার। অতিরিক্ত আলো বা শব্দ ঘুমের গভীরতা কমিয়ে দেয়।