৭ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

দাড়ি রাখায় তিন পুলিশ সদস্যকে শাস্তি

admin
প্রকাশিত ২৫ আগস্ট, সোমবার, ২০২৫ ১৯:১০:৪০
দাড়ি রাখায় তিন পুলিশ সদস্যকে শাস্তি

অনুমতি ছাড়া দাড়ি রাখায় তিন পুলিশ সদস্যকে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে। তবে শাস্তি ভোগের পরদিন তাদের দাড়ি রাখার অনুমতি প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার (২৫ আগস্ট) এ সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ বিভিন্ন গণমাধ্যমের হাতে আসে। এনিয়ে চলছে জেলাজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা। তবে অনুমতি নেওয়া সরকারী বিধিবিধান বলে জানান পুলিশ সুপার।

 

 

 

 

গত ২১ আগস্ট জারি করা অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, তিনজন কনস্টেবল দুলাল মিয়া, হৃদয় আহমদ ও ইফতেখার হোসেন সুমন ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক দাড়ি রাখতে ইচ্ছুকমর্মে আবেদন করেছেন। ওই দিন তারা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সশরীরে হাজির হলে দেখা যায়, তাদের মুখে দাড়ি।

কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া দাড়ি রাখায় তাদের প্রত্যেককে দুই দিন লগুদন্ড হিসেবে ২ ঘণ্টা পিডি প্রদান করা হলো। একইসাথে পিডি ভোগের পর তাদের পুলিশ লাইন্স হবিগঞ্জের উদ্দেশ্যে ছাড়পত্র প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হলো।

 

 

এদিকে, সোমবার ২৫ আগস্ট দুপুরে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম হবিগঞ্জ শাখার পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। একই সাথে অনতিবিলম্বে এই শাস্তি প্রত্যাহার করে পুলিশ সুপারকে লিখিত বিবৃতি প্রকাশ করতে হবে বলে জানানো হয়।

এছাড়াও জেলা সকল তৌহিদি জনতাকে সাথে নিয়ে (২৬ আগস্ট মঙ্গলবার) সকাল ১১টায় পুরিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি ও প্রতিবাদ সমাবেশের ঘোষনা দেয়া হয়।

এ বিষয়ে পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান জানান, দাড়ি রাখতে চাইলে পুলিশ সদস্যদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়ার বিধান রয়েছে। আমি শুধু সরকারী বিধান ফলো করেছি। তবে আবেদন করার পর আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের অনুমতি মঞ্জুর করা হয়েছে।