বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভায় চট্টগ্রামের কে কে? অভিজ্ঞদের সাথে আলোচনায় ‘ক্লিন ইমেজের’ তরুণ প্রজন্ম
বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভায় চট্টগ্রামের কে কে? অভিজ্ঞদের সাথে আলোচনায় ‘ক্লিন ইমেজের’ তরুণ প্রজন্ম
admin
প্রকাশিত ১৪ ফেব্রুয়ারি, শনিবার, ২০২৬ ২১:৫৬:৪৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম | ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
দীর্ঘ দেড় দশক পর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ফিরছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ১৬ ফেব্রুয়ারি নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণকে কেন্দ্র করে বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামে বইছে উৎসবের আমেজ। ২০০১ সালে চট্টগ্রাম থেকে ৮ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী থাকলেও এবার সেই সংখ্যা কত হবে এবং কারা ঠাঁই পাবেন—তা নিয়ে সর্বত্র চলছে জল্পনা-কল্পনা।
অভিজ্ঞতার শীর্ষে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী
চট্টগ্রাম-১১ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী মন্ত্রিসভায় অত্যন্ত প্রভাবশালী অবস্থানে থাকবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আজ ঢাকায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমানের পাশে থেকে বিদেশি গণমাধ্যমের সাথে তার কথোপকথন ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেতে পারেন।
আলোচনায় ‘তারুণ্যের শক্তি’
এবারের নির্বাচনে চট্টগ্রামের সাবেক হেভিওয়েট মন্ত্রীদের উত্তরসূরিরা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে চমক দেখিয়েছেন। তারুণ্য ও বংশীয় ঐতিহ্য—এই দুই সমীকরণে মন্ত্রিসভায় নাম আসছে তিন তরুণের:
সাঈদ আল নোমান (চট্টগ্রাম-১০): প্রয়াত আবদুল্লাহ আল নোমানের পুত্র।
ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন: সাবেক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিনের পুত্র।
দলীয় সূত্রের খবর, আগামীর নেতৃত্ব তৈরিতে এই তিনজনের মধ্যে অন্তত একজনকে মন্ত্রিসভায় দেখা যেতে পারে।
আলোচনায় আছেন আরও যারা
সরওয়ার জামাল নিজাম (চট্টগ্রাম-১৩): আনোয়ারা-কর্ণফুলী আসন থেকে নির্বাচিত এই নেতাও অভিজ্ঞতার কারণে আলোচনায় এগিয়ে।
আবু সুফিয়ান (চট্টগ্রাম-৯): ঐতিহ্যগতভাবে কোতোয়ালি আসন থেকে নির্বাচিতরা মন্ত্রিসভায় অগ্রাধিকার পান, সেই হিসেবে আবু সুফিয়ানের নাম মুখে মুখে।
এরশাদ উল্লাহ (চট্টগ্রাম-৮): মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে তার সাংগঠনিক দক্ষতা তাকে মন্ত্রিত্বের দৌড়ে রেখেছে।
গোলাম আকবর খোন্দকার: রাউজান থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় তাকে টেকনোক্র্যাট কোটায় মূল্যায়ন করা হতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে।
জনআকাঙ্ক্ষা ও সুশীল সমাজের চাওয়া
সুজনের সাধারণ সম্পাদক আখতার কবির চৌধুরীসহ সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, বিগত সরকারের দুর্নীতি ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বের হতে বিএনপিকে ‘ক্লিন ইমেজ’-এর নেতাদের বেছে নিতে হবে। চট্টগ্রামের মানুষ কেবল মন্ত্রিত্ব নয়, এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন এবং সুষম উন্নয়নের নিশ্চয়তা চায়।