র্যাব জানায়, গত ২১ জুলাই সিলেট নগরের দক্ষিণ সুরমা থানাধীন এরিনা ফুটসাল ইনডোর মাঠে ফুটবল খেলা নিয়ে বিরোধের জেরে রিফাত আহমদকে হত্যা করা হয়। রিফাত চৌকিদেখী এলাকার দ্বীপশিখা উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
ঘটনার দিন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ফুটবল খেলার সময় ফাউল করাকে কেন্দ্র করে রিফাতের দলের সঙ্গে প্রতিপক্ষ দলের সদস্যদের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রিফাত খেলা ছেড়ে দল নিয়ে মাঠ থেকে চলে যেতে চাইলে প্রতিপক্ষের সদস্যরা তাকে ও তার দলের সদস্যদের হুমকি দেন এবং মাঠ ছাড়তে বাধা দেন।
পরে রিফাত ফোন করে বিষয়টি তার বন্ধুদের জানায়। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রিফাত কাজীরবাজার এলাকার শেখঘাট ব্রিজে পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুতর জখম করেন।
রিফাতকে বাঁচাতে সাব্বির আহমদ, আব্দুস সামি ও রবিউল এগিয়ে এলে তাদেরও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে আহত করা হয়। পরে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা আহত রিফাতসহ অন্যদের উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রিফাতকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় রিফাতের মা বাদী হয়ে সিলেট মহানগরের কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার পর গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে র্যাব-৯। এরই ধারাবাহিকতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে মামলার এজাহারনামীয় আসামি জুয়েল আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-৯ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।