সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির সমাবেশে বাণিজ্যমন্ত্রী জিয়াউর রহমানের আদর্শে ধ্বংসপ্রায় বাংলাদেশ পুনর্গঠন করতে হবে
সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির সমাবেশে বাণিজ্যমন্ত্রী জিয়াউর রহমানের আদর্শে ধ্বংসপ্রায় বাংলাদেশ পুনর্গঠন করতে হবে
admin
প্রকাশিত ০৭ নভেম্বর, শনিবার, ২০২৬ ২৩:২৮:৫২
সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির সমাবেশে বাণিজ্যমন্ত্রী জিয়াউর রহমানের আদর্শে ধ্বংসপ্রায় বাংলাদেশ পুনর্গঠন করতে হবে
বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সততা, দেশপ্রেম ও স্বজনপ্রীতিমুক্ত নেতৃত্বের যে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন, তা অনুসরণ করেই বাংলাদেশকে পুনর্গঠন করতে হবে। তাঁর নেতৃত্বে একটি ভগ্নপ্রায় দেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তাঁর সময়ে শিল্পকারখানায় নতুন বিনিয়োগ শুরু হয়। দুর্ভিক্ষের অভিশাপ পেছনে ফেলে অর্থনৈতিক অগ্রগতির পথে এগিয়ে যায় দেশ।
আজ (শনিবার) বিকেলে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে সিলেট নগরীতে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি আয়োজিত র্যালিপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন পর যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনের সুযোগ ফিরে এসেছে। ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের দিন। ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বরের অভ্যুত্থানের পর যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা দীর্ঘস্থায়ী হলে দেশ আবারও অন্ধকারের দিকে ফিরে যেত। বাংলাদেশের মানুষ সেই অবস্থায় ফিরে যেতে চায়নি। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার অভিন্ন প্রত্যাশা থেকেই সেদিন সশস্ত্র বাহিনীর দেশপ্রেমিক সদস্যরা শহীদ জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করেছিলেন।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ৭ নভেম্বরের পর শহীদ জিয়াউর রহমান তাঁর অসাধারণ নেতৃত্বগুণ দিয়ে দেশকে নতুনভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তাঁর শাসনামলে বাংলাদেশ জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করে।
জাতীয়তাবাদী নেতৃত্বের মাধ্যমে তিনি দেশের মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও দেশপ্রেম জাগিয়ে তুলেছিলেন। মুসলিম বিশ্বেও বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছিল।
মন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও নেতৃত্বের পথ অনুসরণ করে আজ তাঁর অনুসারীদের ওপর দেশ পুনর্গঠনের গুরুদায়িত্ব অর্পিত হয়েছে। সততা, স্বজনপ্রীতিমুক্ত মানসিকতা, দেশপ্রেম ও দায়িত্বশীলতার যে মানদণ্ড তিনি স্থাপন করেছেন, তা ধারণ করতে হবে। এই আদর্শ সামনে রেখেই বাংলাদেশকে কাঙ্ক্ষিত উন্নতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে হবে।
রেজিস্ট্রারি মাঠে আয়োজিত সমাবেশে সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসেইনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
সমাবেশ পরিচালনা করেন সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী এবং মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী। সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য এম এ মালিক, সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ সিদ্দিকী ও সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম।
সমাবেশ শেষে রেজিস্ট্রারি মাঠ থেকে একটি বিশাল র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।