৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সুপার ওভারের নাটকীয় হার ও ‘খাবারের ওপর রাগ’: রশিদ খানের আক্ষেপ

admin
প্রকাশিত ১৫ ফেব্রুয়ারি, রবিবার, ২০২৬ ২২:৪৪:০৫
সুপার ওভারের নাটকীয় হার ও ‘খাবারের ওপর রাগ’: রশিদ খানের আক্ষেপ

স্পোর্টস ডেস্ক | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায়ঘণ্টা বাজার অপেক্ষায় আফগানিস্তান। নিউজিল্যান্ডের পর দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে শ্বাসরুদ্ধকর হারের পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে রশিদ খানের দল। বিশেষ করে প্রোর্টিয়াদের বিপক্ষে জয়ের খুব কাছে গিয়েও ডাবল সুপার ওভারে হারটা কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না আফগান অধিনায়ক।

হারের জ্বালা মেটানো হলো খাবারে

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১৮৭ রান তাড়া করতে নেমে ম্যাচ টাই করে আফগানিস্তান। এরপর প্রথম সুপার ওভারও টাই হয়। দ্বিতীয় সুপার ওভারে গিয়ে হার মানতে হয় এইডেন মার্করামের দলের কাছে। এই হারের পর দলের মানসিক অবস্থা বর্ণনা করতে গিয়ে রশিদ খান বলেন:

“ম্যাচ হারের পর আমরা তখন আহমেদাবাদে ছিলাম। আমি টিম ম্যানেজারকে বললাম ডাল বুখারা, ডাল মাখানি আর তন্দুরি চিকেন অর্ডার করতে। আমরা সবাই মিলে সেই হারের রাগটা খাবারের ওপর ঝেড়েছি।”

সতীর্থদের আগলে রাখছেন অধিনায়ক

দলে যেন কোনো নেতিবাচকতা তৈরি না হয়, সেদিকে কড়া নজর রশিদের। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, হারের জন্য কোনো একক খেলোয়াড়কে দায়ী করা যাবে না। তার ভাষ্যমতে, “কেউ আলাদা করে হারেনি, পুরো দল হেরেছে। অধিনায়ক হিসেবে আমি এসব শুনতে চাই না যে অমুক এটা করেছে বা তমুক ওটা। খেলোয়াড়দের দোষারোপ করা আমাকে হারের চেয়েও বেশি কষ্ট দেয়।”

সমীকরণের মারপ্যাঁচে আফগানিস্তান

গ্রুপ ‘ডি’-তে টানা দুই হারে আফগানিস্তানের সুপার এইটে যাওয়ার পথ প্রায় রুদ্ধ। পয়েন্ট টেবিলের চিত্র বর্তমানে নিম্নরূপ:

দল ম্যাচ পয়েন্ট অবস্থান
দক্ষিণ আফ্রিকা ১ (শীর্ষে)
নিউজিল্যান্ড
আফগানিস্তান

সুপার এইটের আশা বাঁচিয়ে রাখতে হলে আগামীকাল সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে এবং পরবর্তী ম্যাচে অবশ্যই জিততে হবে আফগানদের। তবে শুধু জিতলেই হবে না, তাকিয়ে থাকতে হবে নিউজিল্যান্ডের হারের দিকেও।

পরিশ্রম ও মানসিকতা

দীর্ঘ দেড় বছরের কঠোর পরিশ্রমের পরও ফল পক্ষে না আসায় কিছুটা হতাশ রশিদ। তবে তিনি বিশ্বাস করেন, অনুশীলনের দক্ষতা মাঠে প্রয়োগ করতে পারলেই চাপ সামলানো সম্ভব। রশিদের মতে, “১০০ বারের মধ্যে ৯৯ বার সফল হলেও মানুষ ওই ১ বারের ব্যর্থতা মনে রাখে। এটাই ক্রিকেটের সবচেয়ে কঠিন এবং চ্যালেঞ্জিং দিক।”