৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ফরিদপুরে থানা থেকে লুট হওয়া গ্রেনেড ও কার্তুজ উদ্ধার: র‍্যাবের বড় সাফল্য

admin
প্রকাশিত ২৯ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার, ২০২৬ ১৭:১৩:০৮
ফরিদপুরে থানা থেকে লুট হওয়া গ্রেনেড ও কার্তুজ উদ্ধার: র‍্যাবের বড় সাফল্য

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর | ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

ফরিদপুর শহরের চরকমলাপুর এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে র‍্যাব-১০। উদ্ধারকৃত সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে থানা থেকে লুট হওয়া গ্রেনেড এবং শটগানের কার্তুজ। আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে র‍্যাব-১০-এর ফরিদপুর ক্যাম্প থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

অভিযানের বিবরণ

র‍্যাব-১০-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) তাপস কর্মকার জানান, গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরের চরকমলাপুর বিএডিসি অফিস সংলগ্ন একটি ঝোপঝাড়ে অভিযান চালানো হয়। সেখানে পরিত্যক্ত অবস্থায় নিচে উল্লিখিত সরঞ্জামগুলো পাওয়া যায়:

  • অবিস্ফোরিত গ্রেনেড: ধাতব লিভার যুক্ত ৩টি।

  • শটগানের কার্তুজ: ৪১টি।

  • গ্যাসগানের কার্তুজ: ৩০টি (তাজা কার্তুজসদৃশ বস্তু)।

লুট হওয়া অস্ত্রের আতঙ্ক

র‍্যাব জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পরবর্তী উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দুষ্কৃতকারীরা বিভিন্ন থানায় হামলা চালিয়ে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট করেছিল। দীর্ঘ সময় ধরে এগুলো সন্ত্রাসীদের হাতে থাকায় জনমনে ব্যাপক আতঙ্ক বিরাজ করছিল। আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে এ ধরনের শক্তিশালী বিস্ফোরক উদ্ধারকে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ

ফরিদপুর র‍্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার (স্কোয়াড্রন লিডার) তারিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে, উদ্ধারকৃত বিস্ফোরকগুলো বাংলাদেশ পুলিশের। এগুলো বর্তমানে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তবে কারা এই সরঞ্জামগুলো সেখানে মজুত করেছিল, তা এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। অপরাধীদের ধরতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব।


প্রাসঙ্গিক তথ্য: ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সারা দেশে যখন বিজিবি ও র‍্যাব মোতায়েন জোরদার করা হচ্ছে, ঠিক সেই মুহূর্তে ফরিদপুরে এই গ্রেনেড উদ্ধার বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।