২৪শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ভোরের আঁধারে হরিপুর চেকপোস্টে ‘গল্পের’ আড়ালে চলছে চোরাচালান?

admin
প্রকাশিত ২৩ আগস্ট, রবিবার, ২০২৬ ১৪:০৭:৩০
ভোরের আঁধারে হরিপুর চেকপোস্টে ‘গল্পের’ আড়ালে চলছে চোরাচালান?

ভোরের আঁধারে হরিপুর চেকপোস্টে ‘গল্পের’ আড়ালে চলছে চোরাচালান?

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি :: সিলেটের হরিপুরে ভোর ৪টা থেকে ৫টার দিকে চোরাচালানের একটি নির্দিষ্ট রুটে পুলিশের চেকপোস্টের ভূমিকা নিয়ে উঠেছে গুরুতর প্রশ্ন।

স্থানীয় সূত্রের অভিযোগ, প্রতিদিন ভোররাত ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে হরিপুর চেকপোস্ট এলাকায় চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আনাগোনা বেড়ে যায়। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় চেকপোস্টে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশের সঙ্গে চোরাকারবারিদের কথাবার্তা ও ‘গল্পের’ মধ্য দিয়েই বিভিন্ন অবৈধ পণ্য নির্বিঘ্নে পার হয়ে যায়।

স্থানীয়দের দাবি, চোরাচালানের জন্য ভোররাতের এই সময়টিকে বেছে নেওয়া হচ্ছে। অন্ধকার ও জনসমাগম কম থাকার সুযোগে বিভিন্ন যানবাহনে করে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে আসা পণ্য চেকপোস্ট অতিক্রম করে চলে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

আরও অভিযোগ রয়েছে, চেকপোস্টে পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি থাকার পরও কথিত চোরাকারবারিদের যানবাহন যথাযথভাবে তল্লাশি করা হয় না। বরং তাদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কথাবার্তা বলার পর যানবাহনগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়—এমন অভিযোগও করেছেন স্থানীয় কয়েকজন।

তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা নিরপেক্ষ তদন্তের বিষয়। পুলিশের কোনো সদস্য চোরাচালানে সহযোগিতা করছেন কি না, কিংবা দায়িত্বে অবহেলা করছেন কি না—সেটিও তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

ভোররাতের ওই নির্দিষ্ট সময়ে হরিপুর চেকপোস্টের দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের কার্যক্রম, চেকপোস্টের সিসিটিভি ফুটেজ এবং ওই সময় চলাচলকারী যানবাহনগুলো পর্যবেক্ষণ করলে অভিযোগের সত্যতা বেরিয়ে আসতে পারে।

চোরাচালান ঠেকাতে যেখানে চেকপোস্ট হওয়ার কথা নিরাপত্তার দেয়াল, সেখানে যদি দায়িত্বশীলদের চোখের সামনে দিয়েই অবৈধ পণ্য পার হওয়ার অভিযোগ ওঠে—তাহলে বিষয়টি শুধু স্থানীয়দের নয়, সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষেরও নজরে আসা জরুরি।