সার্জেন্ট তানবিরের তৎপরতায় ব্যর্থ হলো প্রতারণার চেষ্টা, ভুয়া প্রেস কার্ড ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে সতর্কতা
স্টাফ রিপোর্টার :: একটি ভুয়া প্রেস কার্ড দেখিয়ে এবং ২৫০ টাকা প্রেস কার্ড ভিজিটিং কার্ডের মালিক দাবি করে ঘুষ নিয়ে আইনি কাজে বাধা দেয়া এক কথিত সাংবাদিকের চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক সার্জেন্ট তানবীর। আইন প্রয়োগ করে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা-টমটমটি ডাম্পিংয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ঘটনাটি সম্প্রতি সিলেট নগরীর শিবগঞ্জ পয়েন্টে ঘটে। ট্রাফিক সার্জেন্ট তানবির দায়িত্ব পালনকালে একটি ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা-টমটম আটক করেন। এসময় গাড়ির চালক বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নিজেকে সাংবাদিক দাবি করে “দৈনিক সোনালী সিলেট” পত্রিকার একটি প্রেস কার্ড দেখিয়ে উনার নিজ স্বার্থে ২৫০ টাকার বিনিময়ে ট্রাফিক সার্জনের কাছ থেকে ছেড়ে দেওয়ার চুক্তি নেন সেই নামধারী কথিত সাংবাদিক ট্রাফিক সার্জনের কাছে অনুরোধ করতেও দেখা যায়।
তথ্য সূত্র জানায়, প্রেস কার্ড দেখিয়ে আইনি কাজে বাধা ও প্রতারণার চেষ্টা বুঝতে পেরে সার্জেন্ট তানবির কোনো ছাড় দেননি। তিনি নিয়ম অনুযায়ী আইন প্রয়োগ করে গাড়িটিকে ডাম্পিংয়ে প্রেরণ করেন।
ট্রাফিক পুলিশের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “প্রেস কার্ড কোনো ভাবেই আইন লঙ্ঘনের লাইসেন্স নয়। কেউ যদি প্রেসের নাম ব্যবহার করে প্রতারণা করে তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উদ্ধারকৃত কার্ডটিতে “দৈনিক সোনালী সিলেট” পত্রিকার নাম ও আসাদুজ্জামান জুবায়ের, চিফ মেসেজ এডিটর এর নাম উল্লেখ রয়েছে। কার্ডে অফিসের ঠিকানা হিসেবে জিন্দাবাজার পয়েন্ট, কাহার কমপ্লেক্স লেখা রয়েছে।
এ বিষয়ে ” দৈনিক সোনালী সিলেট ” এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও প্রকাশক হুমায়ুন কবিরের সাথে জানতে চাইলে তিনি বলেন দীর্ঘদিন যাবত এই পত্রিকাটি একটি চক্র চালিয়ে ছিল তখন সময় যদি উনি থেকে থাকেন আমার জানা নেই, তবে পত্রিকাটি বিক্রি হয়ে গেছে যার মালিক এখন আমি হুমায়ুন কবির, পত্রিকাটি আমার কাছে আসার পর থেকে আমার কোন প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান জুবায়ের বলতে কেউ নেই। তিনি আরও বলেন তবে পত্রিকার নাম ব্যবহার করে কেউ অপকর্ম করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে কঠোর হুশিয়ারি দেন তিনি।
এ ঘটনায় এলাকায় ট্রাফিক পুলিশের কঠোর অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ।