২১শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক

admin
প্রকাশিত ২০ অক্টোবর, মঙ্গলবার, ২০২৬ ২০:১১:৩০
বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক

সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় করতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, দুর্গাপূজা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রেখে নগরবাসী যেন উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে সিলেট সিটি করপোরেশন সর্বাত্মক সহযোগিতা করে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে সিলেট নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সিসিক প্রশাসক বলেন, সিলেট সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্যের শহর। এ নগরীতে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করে আসছেন। ধর্মীয় উৎসবগুলোও সবাই মিলেমিশে উদযাপন করেন। এই সম্প্রীতির ঐতিহ্যকে আরও সুদৃঢ় করতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, পূজামণ্ডপগুলোতে আগত পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্যের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উৎসব চলাকালে কোনো ধরনের সমস্যা বা প্রয়োজন দেখা দিলে সিলেট সিটি করপোরেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান। সিসিকের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

এদিন বিকেলে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী নগরীর ১১ নম্বর ওয়ার্ডের তিন মন্দির, ১২ নম্বর ওয়ার্ডে বিমলেন্দু দাস সাধু বাবুর বাড়ির পূজামণ্ডপ, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীশ্রী কালীবাড়ী এবং একই ওয়ার্ডের শ্রীশ্রী লোকনাথ মন্দির পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ ছাড়া তিনি নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডের আরও কয়েকটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে তিনি পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিস্থিতি, পুণ্যার্থীদের উপস্থিতি এবং বিভিন্ন ব্যবস্থাপনার বিষয়ে খোঁজ নেন। পাশাপাশি পুণ্যার্থী ও পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

সিসিক প্রশাসক পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দকে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। যে কোনো প্রয়োজনে সিলেট সিটি করপোরেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানান তিনি।

পরিদর্শনকালে পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, সিসিকের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।